1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০১৫
  • ৪৯৮ দেখেছেন

প্রায় ৫ লাধিক মানুষের একমাত্র সরকারী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারদের ইচ্ছামতো আসা-যাওয়া, স্বস্ব কিনিক দেখাশুনা এবং ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের দৌরাত্বে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। ডাক্তারা কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সাথে সাাতে ব্যস্ত থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীরা।
সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। সকাল ১১ টায় রোগীর দীর্ঘ লাইন সামনে নিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন মাত্র ৩ জন ডাক্তার। এছাড়া আর কোন কে আউটডোর ডাক্তারদের দেখা মেলেনি। তবে, অনেকেরই ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের নিয়ে নিজ নিজ কে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। দেখা গেছে হাসপাতালের বিভিন্ন লেনে দাড়িয়ে কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সাথে খোস আলাপে ব্যস্ত থাকতে। অনেকেই আবার হাসপাতালে এসে পৌঁছাননি তখনো। অধিকাংশ ডাক্তারদের বিরুদ্ধে সময়মত হাসপাতালে না আসার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনেকেই স্থানীয় দাপট দেখিয়ে, আবার অনেকেই উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ইচ্ছামতো হাসপাতালে আসা যাওয়া করেনHospital। জানাযায়, অধিকাংশ ডাক্তাররা আসেন যশোর শহর থেকে। শহরের চেম্বারে রোগী দেখে সকাল সাড়ে ১০ টার পর থেকে হাসপাতালে আসা শুরু করেন এসব ডাক্তাররা। আবার আসার পরপরই ব্যস্ত হয়ে ওঠেন শহরে যাওয়ার। বেলা ১ টার পরপরই হাসপাতাল ত্যাগ করেন তারা। এসব অভিযোগ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। হাসপাতালের ডাক্তারদের জন্য বরাদ্দকৃত একাধিক আবাসিক ভবনগুলো পতিত ভবনে রূপান্তরিত হতে চলেছে। তবুও আবাসিক গুলোতে থাকতে নারাজ ডাক্তাররা। অনেকে আবার ঢাকা থেকে মাঝে মাঝে এসে অফিস করেন। সূত্র জানায়, এসব ডাক্তাররা হাজিরা খাতায় পুরো সপ্তাহের স্বার করেন একদিনে। আবার অনেক ডাক্তারের স্বার করেন হাসপাতালে কর্মরত তার নিটকাত্মীয়রা।
সোমবার সকাল ১১ টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকেই জানান, টিকিট কেটে প্রায় ২ ঘন্টা ধরে বসে আছেন মহিলা ডাক্তার দেখাবেন বলে। ৩ জন পুরুষ ডাক্তার রোগী দেখছেন, তাই এখনো দাড়িয়ে আছেন। হাসপাতালের বারান্দার এককোণে বসে আছেন দিনমজুর আকবার আলী। তিনিও প্রায় ঘন্টা খানেক দাড়িয়ে আছেন টিকিট কেটে। ইচ্ছা ছিল ডাক্তার দেখিয়ে কাজে (মজুর) যাবার। লম্বা লাইন ধরে এভাবেই দাড়িয়ে আছেন অর্ধশত রোগীরা। কখন ডাক্তাররা আসবেন তারই প্রতিায়।
হাসপাতালে কর্মরত এক কর্মচারী জানান, স্যাররা মাঝে মাঝে একটু দেরিতেই আসেন, তবে এখনই সবাই এসে যাবেন।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022