1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

মণিরামপুরে হত্যাচেষ্টা ও বসতবাড়ীতে ভাংচুর মামলার আসামীদের ধরছে না পুলিশ | আসামী পক্ষকে খুশি করতে

  • আপডেট: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৬৪৫ দেখেছেন
মণিরামপুরে নাশকতার অভিযোগে ইউপি মেম্বর আটক
মণিরামপুরে নাশকতার অভিযোগে ইউপি মেম্বর আটক

আসামী পক্ষকে খুশি করতে মণিরামপুর উপজেলার দিপ্রকোনা গ্রামের ৩ ব্যক্তিকে হত্যার চেষ্টা, বসতবাড়ীতে ভাংচুর ও চাঁদাবাজী মামলার আসামীদের পুলিশ ধরছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালতের নির্দেশে সরাসরি থানায় এফআইআর করা মামলা ২ মাস পার হলেও এবং আসামীরা প্রকাশ্যে থাকায় মামলা বাদীসহ তার পরিবারের লোকজন নানা আতংকে রয়েছে। আদালতে ও থানায় দায়ের করা মামলা সূত্রে জানাযায়, গত ৯ জুলাই দুপুরে একদল সন্ত্রাসী চাঁদার দাবীতে দিপ্রকোনা গ্রামের জহুরুল ইসলাম (৪০), নজরুল ইসলাম (৩৫) ও মামুন হোসেন (১৭)কে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় ওই বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটতরাজ চালানো হয়। এরপর আসামীদের হুমকীর মুখে আহতদের মণিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করতে না পেরে কেশবপুর ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে জহুরুল ইসলামের অবস্থা মারাত্মক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। উক্ত ঘটনায় আসামীদের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় মামলা করতে না পেরে আহত জহুরুল ও নজরুলের পিতা জুলফিকার আলী বাদী হয়ে যশোরের আমলী আদালতে ৭ জনের নাম উল্লেখ্য করে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক উক্ত মামলাটি আমলে নিয়ে মণিরামপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করতে। সে মোতাবেক পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করে। যার মণিরামপুর থানার মামলা নং- ৩০। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করা হয় এসআই পলাশ কুমারকে। মামলার সাথে আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে সকল কাগজপত্র এবং ঘটনার ৩২৬ ধারার অপরাধ সহ অন্যান্য অপরাধের ধারা সংযুক্ত রয়েছে। মামলার বাদী অভিযোগ করে বলেন, আসামী বাবুর আলী, আজিজুর, সবুজ, বাদল, রবিউল, নাছের গাজী ও বাছের গাজী এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের আটক করছে না। এমনকি মামলার প্রধান আসামী বাবুর আলী বাদীকে নানা ভাবে হুমকি-ধামকী দিচ্ছে মামলা তুলে নিতে। এসব ঘটনা বাদী ও তার পরিবারের লোকজন মামলার সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাশ কুমারকে বারবার জানালেও কোন পুলিশ তাদের ধরতে এলাকায় যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাহেরুল ইসলাম বলেন, এসআই পলাশ ট্রেনিং করতে বাহিরে আছে। থানায় ফিরে আসলে তার কাছে বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে ভয়ে পত্রিকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে আহতদের পরিবারের অনেকেই জানান, মণিরামপুর পৌর শহরের এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর মাধ্যমে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীদের নিকট থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে তাদের কে আটক করছে না। অপর একটি সূত্র জানায়, মামলা প্রধান আসামী বাবুর আলীর ২ আত্মীয় প্রশাসনে চাকুরী করার সুবাদে উক্ত মামলার ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে তাদের ফোন আলাপ এবং যোগাযোগ হয়েছে আসামীদের আটক না করার জন্য।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022