1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

সরকারী হাসপাতাল থেকে রোগীকে ক্লিনিকে অপারেশনের সময় মৃত্যু, মণিরামপুর হাসপাতালে বিক্ষুদ্ধ জনতার হামলা- লাঞ্ছিত ২ ডাক্তার

  • আপডেট: সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৫
  • ৬৪৬ দেখেছেন
সরকারী হাসপাতাল থেকে ক্লিনিকে অপারেশনের সময় রোগীর মৃত্যু, ম

 মণিরামপুর সরকারী হাসপাতালের ডাঃ দিলীপ রায়ের বিরুদ্ধে হাসপাতাল থেকে রোগীকে কৌশলে মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্য করার জন্য কেশবপুরের সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি করে শান্তি রাণী ঘোষকে। এরপর শান্তি রাণীর জরায়ুর টিউমার অপারেশনের সময় তার মৃত্যু ঘটে। অপারেশনের টেবিলে মারা যাবার পর রোগীর অবস্থা ভালো না হওয়ার কারণ দেখিয়ে যশোর মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাবার নাম করে ওই রাতেই স্বজনদের না জানিয়ে এ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ বাড়িতে রেখে যায়। নিহতের বাড়ি মণিরামপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের প্রভাষ ঘোষের স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসীরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। চিকিৎসক মণিরামপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিলীপ রায়ের কার্যালয়ের সামনে বিােভ করেছে নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসী। বিক্ষুদ্ধ জনতা দফায় দফায় মণিরামপুর হাসপাতাল ঘেরাও করলে পুলিশের কঠোর অবস্থানের ফলে বড় ধরনের তির হাত থেকে রা করা সম্ভব হয়েছে বলে প্রত্যদর্শিরা জানায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ একটি মহলকে নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা অব্যহত রাখে। জানাযায়, ডাঃ দিলীপ রায় মণিরামপুর হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালে অপ্রতুল যন্ত্রাংশের দোয়াই দিয়ে অপারেশন সংক্রান্তসহ অধিকাংশ রোগীদের কেশবপুর সার্জিক্যাল কিনিকে পাঠিয়ে দেয়। যেখানে তার স্ত্রী অঞ্জলী রায় নিয়মিত রোগী দেখেন এবং স্বামী ডাঃ দিলীপ রায় নিয়মিত অপারেশন করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় নিহত শান্তি রাণীকে রোববার বিকাল ৪ টার দিকে ওই কিনিকে ভর্তি করানো হয়। এর আগে শুক্রবার নিহতের ছোট মেয়ে সুমিত্রা রাণী ঘোষ তার মাকে মণিরামপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে পার্শ্ববর্তী  একটি ডায়াগনস্টিকে পাঠিয়ে দিয়ে সেখানে পরীা-নিরীা করেন ডাঃ দিলীপ রায়। এরপর শনিবার আবারো হাসপাতালে গেলে ডাঃ দিলীপ রায় রিপোর্ট দেখে অপারেশনের জন্য নিহত শান্তি রাণী ঘোষকে কেশবপুর সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তির জন্য বলেন। সে মোতাবেক রোববার বিকাল ৪ টার দিকে নিহত শান্তি রাণীকে নিয়ে তার ভাসুর সুনিল ঘোষ, জা শান্তি রাণী ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন। নিহতের ভাসুর সুনিল ঘোষ জানান, রোববার সন্ধ্যায় ডাঃ দিলীপ রায় তাদেরকে জানায় পরদিন সোমবার সকালে নিহত শান্তি রাণীকে অপারেশন করা হবে। এছাড়াও পরদিন সকালে তার অপারেশন হবে বিধায় রাত ১০ টার মধ্যে রোগীকে খাবার খাওয়ানোর পরামার্শ দেন তিনি। রাতের খাবার খাওয়ানোর পর সুনিল বাড়িতে চলে আসেন। নিহতের ভাই কেশবপুরের বাইসা গ্রামের পরিতোষ ঘোষ জানায়, সোবার সকালে অপারেশন হবে বিধায় বোনের জাকে কিনিকে রেখে তিনিও বাড়িতে চলে যান। নিহতের জা শান্তি রাণী জানায়, কিছু না জানিয়ে হঠাৎ রাত ১০ টার দিকে তার নিহত ছোট জাকে অপারেশন করার জন্য ওটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুন পর কিনিকের নার্স অনিতা এসে তাকে জানায় রোগীর অবস্থা ভালো না এনি সব কিছু গুছিয়ে নিন, রোগীকে যশোরে নিতে হবে। সাথে সাথে একটি এ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে নিয়ে মণিরামপুর আসার পর তার বাড়ির পথ দেখাতে বলেন, সাথে আসা নার্স অনিতা। এরপর বাড়িতে নামানোর পর রোগী মারা গেছে জানিয়ে তড়িঘড়ি করে তারা সটকে পড়েন। নিহতের দেবর নারায়ন ঘোষ জানায়, মণিরামপুর হাসপাতালের প্রধান করণিক অশোক ঘোষ ভোরে বাড়িতে এসে লাশ দ্রুত সৎকারের পরামর্শ দিয়ে বলেন, যা হাবার হয়েছে, এ নিয়ে যেন সামনের দিকে অগ্রসর না হয়। তাদের ধারনা পরিস্থিতি সামাল দিতে একই হাসপাতালের প্রধান দিলীপ রায় তাকে পাঠিয়েছিলো। সরেজমিন সকালে নিহতের বাড়িতে অশোক ঘোষকে পেয়ে এ ব্যাপারে কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, পাশে অন্য একটি কাজের জন্য তিনি এসেছেন। পরে তিনিও সটকে পড়েন। এ ব্যাপারে ডাঃ দিলীপ রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে নির্ধারিত দিনের আগে অপারেশন করাটা ভূল হয়েছে। কাউকে না জানিয়ে অপারেশনের কথা অস্বীকার করে বলেন, রোগীর অবস্থা ভালো ছিলো না বিধায় তাকে যশোরে নিয়ে যাবার পথে মণিরামপুরে মৃত্যু হলে লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এদিকে গভীর রাতে লাশ বাড়িতে রেখে পালিয়ে যাবার পর নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসীরা বিষয়টি জানতে পেরে তারা বিুব্ধ হয়ে উঠে। এক পর্যায় মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে ৫ কিমি দূরে জালালপুর গ্রাম থেকে বিুব্ধ মণিরামপুর হাসপাতাল এসে ডাঃ দিলীপ রায়ের অফিস ক ঘেরাও করে হামলা চালায় তারা। ুব্ধ জনতার হাতে এসময় লাঞ্ছিত হন ডাঃ শরীফুজ্জামান রঞ্জু ও ডাঃ অনুপ ঘোষ। খবর পেয়ে মণিরামপুর থানার এসআই জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হাসপাতালে পৌছে কঠোর অবস্থান নিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার ওসি তাহেরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কেউ মামলা করেনি। এছাড়া নিহতের স্বজনরা জানান কেশবপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022