1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

মণিরামপুরের ৪৩ কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা

  • আপডেট: বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৫
  • ৪৩০ দেখেছেন

এলাকার সুবিধা বঞ্চিত মানুষ বাড়ির দোরগড়ায় চিকিৎসা সেবা পাবে সে আশায় বুক বেঁধে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনে পৈত্রিক ৫ শতক দান করেছি। শুধু তাই নয়; জমির দলিল সম্পাদন খরচ পর্যন্ত নিজেরা দিয়েছি। ইতোমধ্যে কিনিক স্থাপিত হয়েছে। দায়িত্ব প্রাপ্তরা ঔষধসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে যোগদানও করেছেন। গত ২ মাস চালু হলেও এলাকার মানুষ ক্লিনিকে সেবা নিতে পেরেছেন মাত্র ৩ দিন। অথচ প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ চিকিৎসা সেবা নিতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা অপো করলেও ক্লিনিকটি তালা বন্ধ থাকার কারনে সেবা না নিয়েই বিমুখ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। এমন আক্ষেপের সাথে কথাগুলো বলছিলেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঘুঘরাইল গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের জমিদাতা আব্দুল মালেক। সরেজমিন গত (১৯ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার পর উপজেলার ওই কমিউনিটি ক্লিনিকটি তালা বন্ধ দেখা যায়। শুধু ঘুঘরাইল নয়, খোঁজ নিয়ে জানাযায় উপজেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকের হালচিত্র প্রায় একই অবস্থা। কর্তৃপক্ষের দাবি জনবল সংকটের কারনে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা প্রদানে উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে চিকিৎকদের যাবার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও হাসপাতাল ছেড়ে কোন ডাক্তার বাইরে যান না বলে অভিযোগ রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে কারণকেই দূষছেন সচেতন মহল। এর ফলে সরকারের স্বাস্থ্য নীতির সুফল থেকে বঞ্চিত সাধারন মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানাযায়, উপজেলায় বর্তমান ৪৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। প্রতিটি ক্লিনিকে রোগীদের সেবা প্রদানে ১ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি), ১ জন স্বাস্থ্য সহকারি (এইচএ) ও ১ জন ফ্যামিলি এন্ড ওয়েলথ এ্যাসিসট্যান্ট (এফডবিউএ) কাজ করার কথা। কিন্তু অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিক মাসে ৬ থেকে ৭ দিন খোলা হয়। মাসের অন্যান্য দিন থাকে তালা বন্ধ অথবা খোলা থাকলেও সেবা প্রদানকারীরা থাকেন অনুউপস্থিত। এছাড়া খুললেও তা অল্প সময়ের জন্য এমন অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। কমিউনিটি ক্লিনিকে পর্যায়ক্রমে ১জন ডিগ্রীধারি ডাক্তার ও ১জন মেডিকেল এ্যাসিসট্যান্টের রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও কোন ডাক্তারই হাসপাতালের বাইরে যান না বলে এমন জোরালো অভিযোগ রয়েছে। ১৯ নভেম্বর সরেজমিন ঘুঘরাইল কমিউনিটি কিনিকে গেলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, চালু হওয়ার পর কিনিক থেকে মাত্র ৩ দিন রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পেরেছেন। স্থানীয় ঘুঘুরাইল গ্রামের আব্দুল হাই অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপরে অব্যবস্থাপনার কারণেই জনগণ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। লাউড়ী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকে গেলে সেখানে রোগীদের ভীড় দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু সেখানে ইমদাদ নামের মাত্র ১ জন সিএইচসিপি রোগীদের ভীড় সামলে চিকিৎসা প্রদান করছেন। বাকী ২ জন মাসের পর মাস ক্লিনিকে আসেন না বলে তিনি জানালেন। এটিও সপ্তাহে মাত্র ২ দিন খোলা হয় বলে স্থানীয় লোকজন জানান। উপস্থিত রোগীদের মধ্যে লাউড়ী গ্রামের ইছামতি, মর্জিনা, ললিতাসহ অনেকেই জানান, সবদিন খোলা থাকলে তারা আরো বেশী উপকৃত হতেন। উপজেলার ১৭ ইউনিয়নের ৪৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকে পযায়ক্রমে কাশিমনগর কিনিকে ডাঃ আমিরুজ্জামান, মণিরামপুর সদরে ডাঃ অরূপ জ্যোতি ঘোষ, খেদাপাড়ায় হুমায়রা আশরাফি, হরিহরনগরে ডাঃ রেহেনেওয়াজ, চালুয়াহাটিতে ডাঃ রাজীব কুমার পাল, শ্যামকুড়ে ডাঃ জহিরুল হক, খানপুরে ডাঃ ইকরামুল হক, দূর্বাডাঙ্গায় ডাঃ মাজিৃনা আকতার এবং মনোহরপুর ইউনিয়নে ডাঃ অনল রায়ের রোগী দেখার জন্য সরকারিভাবে নিয়োগকৃত হলেও তাদের কেউ হাসপাতালের বাইরে যান না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ দিলীপ রায় বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারনে দায়িত্ব প্রাপ্তদের হাসপাতালে থাকার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবাদানে ক্রুটির কথা স্বীকার করে বলেন, ইতোমধ্যে জেলা সিভিল সার্জন স্যারের পরামর্শে কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্ব প্রাপ্তদের তদারকি করতে ডাঃ আমিরুজ্জামানকে আহবায়ক ও ডাঃ অনল রায়, স্বাস্থ্য পরিদর্শক আব্দুল হককে সদস্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, তিনি জেলা সিভিল সার্জন স্যারকে বিষয়টি লিখিত ভাবে অবহিত করবেন। জানতে চাইলে যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ শাহাদৎ হোসেন বলেন, জেলায় ২শ’৭৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, যা সরেজমিন খোঁজ নেয়া তার পক্ষে দুরুহ ব্যাপার। মণিরামপুরের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে অনিয়মের খবর তার কাছে রয়েছে। এ জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তদারকি করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022