1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করে ভিডিও

  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৪
  • ৩৪২ দেখেছেন

Rape1-700x352
বন্ধুদের নিয়ে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেন কোচিং সেন্টারের সঞ্চালক। এমনকি সেই ঘটনার ভিডিও তৈরি করা হয়। আর সেই ভিডিওই হয় তাদের হাতিয়ার। কাউকে এ ঘটনা বলা হলে তা ইন্টারনেটে ফাঁস করা হবে বলে ওই শিক্ষিকাকে হুমকি দেয়া হয়। ওই কোচিং সেন্টারেই চাকরি করতেন নির্যাতিতা। ভারতের লক্ষ্মৌয়ে এ ঘটনা ঘটে।
তবে বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান শিক্ষিকা। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষকদের গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। কিন্তু ফল শূন্য। তদন্ত না করেই মামলা ধামাচাপা দেয়া হয়। তাই বিচারের দাবিতে সরাসরি এসএসপির কাছে যান নির্যাতিতা।
এসএসপিকে তিনি জানান, বিএড পড়ার জন্য একটি কোচিং সেন্টারের ভর্তি হন তিনি। পরে সেখানকার সঞ্চালক তাকে সেখানে শিক্ষিকার কাজ দেন। কিছুদিন আগেই তাকে নিজের বাড়িতে ডাকেন ওই সঞ্চালক। সেখানে তার দুই বন্ধুও উপস্থিত ছিল। তারা ওই শিক্ষিকাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এমনকি ধর্ষণের অশ্লীল ভিডিও বানায় তারা। আর সেই ভিডিও ক্লিপিং ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়।
এদিকে ঘটনা শুনার পর এসএসপি পুলিশকে এ মামলার তদন্তের নির্দেশ দেন।
তবে পুলিশ বলছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কোচিং সঞ্চালক ও তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তারও করা হয়। পরে তদন্তে জানা যায়, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে কোচিং সঞ্চালকের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। মামলায় রিপোর্ট দায়ের হওয়ার আগেই দুইপক্ষ লিখিতভাবে সমঝোতা করে। এই কারণেই তিন অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়া হয়।
শিক্ষিকা জানান, থানায় সমঝোতা হওয়ার সময় কোচিং সঞ্চালক লিখিতভাবে স্বীকার করেন যে তিনি শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করে ভিডিও বানিয়েছিলেন। এমনকি ভিডিও ফাঁস করার হুমকি দেয়ার কথাও স্বীকার করেন তিনি। কিন্তু পুলিশ তা শুনেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022