1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

মাল্টা চাষে সফল মণিরামপুরের চাষী আব্দুল করিম সোনালী স্বপ্ন দেখছেন

  • আপডেট: সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৪৫৮ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ
মাল্টা চাষ করে সফলতা এনেছেন জীবন যুদ্ধে সংগ্রামী যুবক আব্দুল করিম। ফলে ফলে ভরে গেছে তার মাল্টা বাগান। মণিরামপুর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মুজগুন্নী গ্রামের মৃত আকাম গাজীর ছেলে শিক্ষিত সংগ্রামী যুবক এই আব্দুল করিম। সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি জীবনে অর্থনীতি সফলতা আনতে অনেক কাজের সাথে যুক্ত হয়েছেন করিম। এক সময় সাংবাদিক করিম হিসেবে মণিরামপুরবাসীর কাছে বেশ পরিচিত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে এ পেশা ছেড়ে চলে যান কৃষি কাজসহ অন্যান্য কাজে। বছর দশেক আগে আব্দুল করিম বড় মাপের একজন পোল্টি খামারী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু প্লেগ রোগে তা সর্বশান্ত হয়ে যায়। এরপর জৈব প্রযুক্তিতে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) তৈরী প্রকল্প হাতে নেয় সে। কিন্তু কোন তাতেও সফলতার কোন সম্ভবনা না দেখে আগে ভাগে ছেড়ে দেয়। এরপর আব্দুল করিম ২০১৪ সালে চারা রোপনের মৌসুমে ৪২ শতকের এক বিঘা জমিতে ১’শ ৪০টি মাল্টা চারা রোপন করেন। এ থেকে লাভের আশা নিয়ে এগোতে থাকেন যুবক আব্দুল করিম। নিজের ক্ষেতে মাল্টা গাছের পরিচর্যা থেকে শুরু করে সব কাজ নিজ হাতে করেন তিনি। দীর্ঘজীবি ফসল এ মাল্টা চাষ করে আড়াই বছরের মাথায় সব গাছেই ফল পেয়েছেন তিনি। চাষী আব্দুল করিম জানান, ক্ষেতে যে ফল রয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দাম বলেছে ক্রেতারা। এছাড়াও এ ক্ষেত থেকে গত দু’ বছরে কলম তৈরী করে চারা প্রতি ১৫০ টাকা করে তা বাইরে বিক্রি করছেন। যা ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ বিঘার মতো জমিতে মাল্টা চারা সরবরাহ করেছেন চাষী আব্দুল করিম। জৈব সার এবং বালাই নাশক ব্যবহারের মাধ্যমে মাল্টা চাষ করে চাষী এ আব্দুল করিম আগামী দিনের সোনালী স্বপ্ন দেখছেন। সফল এ চাষী জানান, জীবনে অর্থনৈতিক সফলতা আনতে অনেক কিছুই করেছি। লাভ ক্ষতির হিসেব করিনি। সফলতা আনতে পারেনি। তবে, মাল্টায় আমাকে সফলতা এনে দিয়েছে বলে মনে করি। এ কারণে আরো দুই বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করতে প্রস্তুুতি চালানো হচ্ছে। তিনি জানান, স্থানীয় কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তার প্রায় সব সময়ই খোঁজখবর নেয়। প্রায় প্রতিদিনই এলাকার পাশাপাশি দুর-দুরন্তের সৌখিন মানুষের দেখতে আসেন আব্দুল করিমের মাল্টা বাগান। সম্প্রতি পরিদর্শনে আসেন উপজেলা কৃষি অফিসার সুশান্ত কুমার তরফদার, কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মানিক সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ শরীফ, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক ব্যবস্থাপক আলহাজ্ব মুহা: ওমর আলী, সোনালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক মুহা: জাহিদ ইকবাল, প্রবাসী বিল্লাল হোসেন প্রমূখ। উপজেলা কৃষি অফিসার সুশান্ত কুমার তরফদার জানান, এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। এখানে উৎপাদিত মাল্টা’র গুনগত মানও আমদানিকৃত মাল্টা’র থেকে অনেক গুন বেশী। মিষ্টি প্রজাতীর এ মাল্টা চাষ করে চাষীরা লাভবান হবে বলেন বলে আমি আশাবাদি।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022