1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ? আয়েবাপিসি’র অভিষেক উপলক্ষ্যে মতবিনিময় করতে সাধারন সম্পাদক বকুল খানের লন্ডন সফর মনিরামপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ মহিলা কারবারি আটক

মণিরামপুরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাল্টে গেছে হিসেব নিকেষ, লড়াই হবে ত্রি-মূখী

  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯
  • ৩৮২ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি ।।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মণিরামপুরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাল্টে গেছে ভোটের হিসেব-নিকাশ। এ পদে বাতিল হওয়া আসমাতুন্নাহারের প্রার্থীতা হাইকোট কোর্টে আফিল করে ফিরে পাওয়ায় ভিন্ন মাত্রা দেখা দিয়েছে ভোটের হালচাল। প্রচার-প্রচারনায় অভিনব কৌশাল ও ৩ হেভিওয়েট প্রার্থীসহ তাদের কর্মী সমর্থকদের রাতদিন উপজেলা ব্যাপী গণসংযোগ শুধু মণিরামপুর নয় উপজেলার বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে তাদের অভিনব প্রচারনার কৌশাল। শীর্ষ এই ৩ নেত্রীর আকর্ষনীয় ভোট প্রার্থনার কৌশল এখন উপজেলা ব্যাপি আড়োলন সৃষ্টি হয়েছে। জানাযায়, চলমান পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪র্থ ধাপের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে মণিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে লড়ছেন আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনের উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ ৩ নেত্রী। সংরক্ষিত এ পদে বল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী রীতা পাঁড়ে, হাঁস প্রতীক নিয়ে একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসমাতুন্নাহার ও কলস প্রতীক নিয়ে উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী জলি আক্তার। দলীয় মনোনয়নের কোন বাধ্য-বাধকতা না থাকায় এ পদে নির্বাচন করার লক্ষে উপজেলার আওয়ামী ঘরানার শীর্ষ ৩ নেত্রীর লড়াই অনেকটা আকর্ষনীয় করে তুলেছে। এ পদটি নিয়ে প্রথম দিকে ভোটারদের মধ্যে একটু গাছাড়া ভাব থাকলেও প্রতীক পাওয়ার পরপরই জমে উঠছে নির্বাচনী আমেজ। প্রচার প্রচারনা ও ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ৩ হেভিওয়েট প্রার্থীই। ১টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলার প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার ভোটাররা এখন আলোচনায় আর সমালোচনায় মজেছেন কে হচ্ছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী? প্রচার-প্রচারনায় ৩ প্রার্থীর কেউ কারও চেয়ে কম যাচ্ছেন না। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উভয় প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকেরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোট প্রার্থনায় অবিরাম গতিতে ছুটে চলেছেন। কেউ কারো চেয়ে একবিন্দু কম নয় এবং এতটুকু ছাড় দিতেও নারাজ। যদিও প্রথমদিকে এ পদটি নিয়ে ভোটারদের মাঝে তেমন একটা মাতামাতি না দেখা গেলেও একই দলের ৩ হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রতিদ্বদ্বিতার কারণে ধীরে ধীরে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জ ও তৎসংলগ্ন হাট-বাজার গুলোতে চলছে ভোটের হিসেবে-নিকাশ। সেই সাথে থেমে নেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। এ সমস্ত প্রচার-প্রচারনা, আলোচনা-সমালোচনা আর সাধারণ ভোটারদের মতামতকে প্রাধান্য দিলে বলা যায়-৩ পদপ্রার্থীই যোগ্য এবং তুমূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। ফলে কে নির্বাচিত হবেন সেটা শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত বলা খুই দূরহ। যে কেউ জয়লাভ করতে পারেন। তবে সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৩১ মার্চ গভীর রাত পর্যন্ত। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপরে কতটুকু আশাবাদী সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বল প্রতীকের প্রার্থী রীতা পাঁড়ে বলেন, উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী হিসেবে উপজেলা ব্যাপি আমি কাজ করেছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি। শুধু আমিই নয়, আমার পরিবারই এই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মণিরামপুরের জনগণ আমাদেরকে ভাল করেই চেনে এবং জানে। আমার স্বামী জনগনের ভালবাসা নিয়েই গত ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যন নির্বাচিত হয়েছিলেন। সূষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে, জনগণ যোগ্য প্রাথী হিসেবে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন এটা আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি। এদিকে একই পদের প্রার্থী আসমাতুন্নাহার আসমা বলেন, ইনশা্ল্লআল্লাহ আমি জয়লাভ করবো।

কারণ বহুত চরাই উৎরায় পেরিয়ে আমি প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি। মণিরামপুরের আপমর জনগণ আমাকে চেনে এবং জানে। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ দলের জন্য শ্রম দিয়েছি। ভোটাররা অবশ্যই আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।

অপরদিকে জলি আক্তার দাবী করে বলেন, তিনি অনেক আগে থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন। ইতিপুর্বে তিনি জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপজেলাবাসি সব সময় একজন ক্লিন ইমেজের মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই। তাছাড়া আমি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। উপজেলা বাসির চাওয়ার ভিত্তিতেই আমি আবারও ভোটের মাঠে নেমেছি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। এতে জনগণের ভাল সাড়াও পাচ্ছি। আমি আশাবাদী উপজেলা বাসি আগামী ৩১ মার্চ উন্নয়নের প্রতীক কলস মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবেন। আমি নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো।

** নূরুল হক, মণিরামপুর **


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022