1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ? আয়েবাপিসি’র অভিষেক উপলক্ষ্যে মতবিনিময় করতে সাধারন সম্পাদক বকুল খানের লন্ডন সফর মনিরামপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ মহিলা কারবারি আটক

মণিরামপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় ১ম হলো শিমুলের আবিষ্কার ফ্যানের কয়েল বাঁধানো অটোমেশিন

  • আপডেট: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৬৩৫ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি।।
সম্পূর্ন নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফ্যানের কয়েল বাঁধা মেশিন তৈরী করেছে শিমুল। তার এ আবিষ্কার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে নিয়েছে। এর আগে শিমুল পেপার কাটিং মেশিন, ট্রান্সফরমার উইন্ডিং মেশিন, অটোমেটিক ওয়াটার কন্ট্রলার, সেচ পাম্প কন্ট্রল টাইমারসহ অনেক কিছু আবিষ্কার করেছে। তার পুরো নাম কাইয়ুম হাসান শিমুল। শিমুল যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের রফিক উদ্দীনের ছেলে।
ছোট বেলা থেকেই এটাওটা আবিষ্কার করার নেশা ছিলো শিমুলের। ফেলে দেওয়া জুতার তলা দিয়ে বাই-সাইকেল, কৌটা আর ডিসি মটর দিয়ে বানাতো পানির পাম্প। এসবই ছিলো তার খেলা। শিমুলের এমন আগ্রহ দেখে তার মা-বাবা ভর্তি করে দেন বিজ্ঞান বিভাগে। ময়ের স্বপ্ন শিমুল বড় ইঞ্জিনিয়ার হবে। বই পড়ার পাশাপাশি প্রাকটিক্যাল করে দেখতে পছন্দ করতে সে। এভাবেই একের পর এক ছোট ছোট আবিষ্কার করতে থাকে আর পড়াশুনা করতে থাকে শিমুল। পড়াশুনায়ও খারাপ ছিলো না সে। তবে অর্থের অভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া হয়নি শিমুলের। এইচএসসি পাশ করে একাউন্টে ভর্তি হয়। বর্তমানে ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে শিমুল।
শিমুল বলে, দুই ভাইয়ের মধ্যে আমি ছোট ছেলে। আমি কোনো বড়লোক বা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে নই। বাবার একটি ছোট ইলেকট্রিকের দোকান আছে। সেখানে বাবার সাথে কাজ করতে হয়। বাবা দিন-রাত বলেন, আমার বয়স হয়েছে। তুই কম্পিউটার চালাতি পারিস। পড়াশুনা যা শিখিছির তা দিয়ে একটা চাকরি বাকরি খোঁজ। ফ্যান বাঁধা এ মেশিনটি যদি আমি বানিজ্যিক ভাবে তৈরী করতে পারি তবে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। কিন্তু বানিজ্যিকভাবে মেশিন তৈরী করতে তো অনেক টাকা প্রয়োজন। এতো টাকা আমি কোথায় পাবো?
শিমুলের বাবা রফিক উদ্দীন বলেন, আমার ছোট ছেলে শিমুলের অনেক বুদ্ধি। ও ফ্যানের কয়েল বাঁধা মেশিন বানিয়েছে। উপজেলার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় তার এ আবিষ্কার ফাষ্ট হয়েছিলো। ও আত্মনির্ভরশীল হতে পারলে আমি বাঁচতাম।
একটি সিলিং ফ্যানের কয়েল হাতে বাঁধতে এক দিন কেটে যায়। সেখানে এই মেশিনে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে কয়েল বাঁধা হয়ে যায়। মেশিনে আর্ডুইনো প্রোগ্রাম করে মাইক্রকন্ট্রলার দিয়ে তৈরী কাউন্টার ব্যবহার করা হয়েছে। কাউন্ট দেখা যাচ্ছে এলসিডি ডিসপ্লেতে। কাঙ্খিত পাঁক সংখ্যা সেট করে দিলে চলবে মেশিন। কাউন্ট শেষ হয়ে অটোমেটিক দাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া একই ফরমা (ডাই) দিয়ে সব ধরনের ফ্যানের কয়েল করা যায়।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022