1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

করোনার থাবায় থমকে গেছে রঙ্গিন শহর মাদ্রিদ : সবচেয়ে ঝুঁকিতে বাংলাদেশীরা (!)

  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০
  • ৫৭৫ দেখেছেন

ফখরুদ্দীন রাজি, স্পেন থেকে।।
করোনা ভাইরাসের প্রকোপে স্পেনের বাংলাদেশীরা কি বেশী ঝুঁকিতে? এই প্রশ্নটি ঘুরে ফিরে আসছে, আসলেই কি তাই, এই সংকট সন্ধিক্ষনে এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কঠিন, একদিকে আতন্ক ছড়ানোর ভয় অন্যদিকে, অসচেতনতার কারনে হাজারো প্রবাসীর প্রাণ হারানোর ভয়।
কেননা বাংলাদেশীদের প্রধান ভরসা বিধাতার করুনা, বেশীরভাগ-ই মনে করেন আমরা শুকর খাইনা, অবাধ মেলামেশা করিনা, ব্লা,,,ব্লা,,ব্লা,,,। কাজেই আমাদের করোনা হওয়ার ঝুঁকি নাই।
তদুপরি স্পেন সরকারের ঘোষনা মতে সুপার মার্কেট, গ্রোসারি শপ, কমিউনিকেশন সেবার দোকান, ফলের দোকান, বারবার শপ গুলো খোলা রাখার অনুমতি প্রাপ্তির সুবাদে, স্পেনে বাংলাদেশীদের দোকানগুলো খোলাই বলা চলে।
কাজেই প্রতিদিন-ই, শত শত মানুষের সংস্পর্শে আসছেন আমাদের জীবন যোদ্ধারা। এই সব মানুষের মধ্য কে করোনার বাহক জানেনা কেউ-ই।
এবার আসুন বাংলাদেশীদের বাসস্থানের জায়গা গুলোর দিকে নজর দেয়া যাক। ১০০ জনে ৯৫ জন-ই বাস করেন মেসে। যেখানে বিছানা শেয়ার করা, দোতালা খাটে ঘুমানো সহ ৩০/৪০ বর্গমিটারের একটি বাসায় ৮/১০ জন বা তারো বেশী মানুষ বসবাস করেন। সংগত কারনেই এই বাসাগুলো অপরিষ্কার নোংরা ও ভ্যপসা গন্ধে ঠাসা থাকে।
মেসের বাসিন্দাদের যারা কাগজবিহীন তারা বেশীরভাগ-ই পাবলিকলি প্রোডাক্ট ভেন্ডিং এর পেশায় নিয়োজিত। যদিও দূর্যোগ এর সময় রাস্তায় পাবলিক নেই। তাদের পাবলিক টাচে আসারও সুযোগ নেই। তবুও এই সংগ্রামী মানুষগুলোর স্বাস্থ্য ঝুঁকি কোনভাবেই কম নয়। কোন মেসের একজন আক্রান্ত হলে বাদবাকীদের অবস্থা কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
এই রাস্তায় রাস্তায় জীবিকা সন্ধান করে বেড়ানো মানুষগুলোর বিপদ সবচেয়ে বেশী। একদিকে তারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে অন্যদিকে তারা খাদ্য সংকটে পড়ার আশন্কা। কেননা তাদের ইনকাম রোজকার পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে। কাজ নেই তো খাওয়াও নেই। আশার কথা বাংলাদেশী পরিচালিত এনজিও – ভালিয়েন্তে বাংলা”- এ শ্রেনীর মানুষকে তাদের সাধ্যমতো সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। ভালিয়েন্তে বাংলার পক্ষথেকে বিত্তশালী বাংলাদেশীদেরকে এইসব মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
আমাদের জনগোষ্ঠীর বেশীরভাগই অসচেতন ও আবেগপ্রবন। আমাদের মানুষগুলো নিতান্তই অসহায়। তাই সময় এসেছে মানবতার স্বার্থে, দেশের স্বার্থে যার যার অবস্থান থেকে উদ্যোগী হওয়া। নিজে সতর্ক হওয়া, অপর ভাইকে সতর্ক করা, আমাদেরকে ভুলে গেলে চলবেনা ১৯২০ সালে এই স্পেন থেকেই ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসে পৃথিবীতে এক কোটির বেশী মানুষ মারা পড়েছিল। ১০০ বছর পর আবার শুরু হওয়া প্রাণঘাতী ভাইরাস কোভিড-১৯ কতমানুষের প্রাণ নেবে তা এখনো বলা যাচ্ছেনা, তবে এটি যে একটি মহামারী তা ইতোমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে মহামারী হিসাবেই ঘোষনা দিয়েছে।
তাই আসুন এই ক্রান্তিকালে, পারষ্পরিক বিদ্বেষ নয়, অযাচিত রাজনীতি নয়, ভাইরাল হওয়ার নেশা নয়। যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাই। মানুষকে সতর্ক করি। কোয়ারেন্টিনে থাকতে প্রেরনা দিই। হাইজেন মেন্টেনেন্স এর পরামর্শ দিই। কেউ অসুস্থ হলে তার খবর রাখি। আতংক না ছড়িয়ে সতর্কতার পন্থা অবলম্বনের কথা বলি। মহান মালিকের কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন দেশে যারা আমাদের মুখপানে চেয়ে নিজেদের অন্ন সংস্থানের আশায় থাকেন তাদের উছিলায় হলেও যেন আমাদেরকে ক্ষমা করেন, আমাদেরকে এই মহামারী থেকে রক্ষা করেন।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022