1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ? আয়েবাপিসি’র অভিষেক উপলক্ষ্যে মতবিনিময় করতে সাধারন সম্পাদক বকুল খানের লন্ডন সফর মনিরামপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ মহিলা কারবারি আটক

কেশবপুরে বারো’শ বছরের পুরানো বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কার

  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০
  • ৭৪০ দেখেছেন

সাজেদ রহমান, যশোর।।
যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের ডালিপাড়া এলাকায় প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় অঞ্চলের অফিসের একটি খনন দল খনন করে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘বৌদ্ধ-বিহার-মন্দির কমপ্লেক্স’ আবিষ্কার করেছে। ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২’শ বছর আগের ওই বৌদ্ধ স্থাপনাটি শুধু বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য আবিষ্কার নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকাতেও এত বিস্তৃত ও অনন্য বৈশিষ্ট্যের বৌদ্ধ স্থাপনা দেখা যায়নি।
প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার ওই বিহারের ধ্বংসাবশেষে এমন কিছু ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে, যা বাংলাদেশ এবং ভারতের বিহার, ওড়িশ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য বৌদ্ধ স্থাপনা থেকে আলাদা। অধিদপ্তরের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অংশে এমন বৈশিষ্ট্যের বৌদ্ধ স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ রয়েছে কি-না, তা জানার চেষ্টা করছেন।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনা ও বরিশাল বিভাগীয় অঞ্চল কার্যালয়ের দল কেশবপুরের ওই বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেছে। এ স্থাপনা আনুমানিক ১ হাজার ২’শ বছর আগের। স্থাপনাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মানববসতির বিস্তার ও পরিবর্তন এবং ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খননকাজে যুক্ত ছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক উর্মিলা হাসনাত, মো. রিপন মিয়া, মো. জাহান্দার আলী ও মো. আবদুস সামাদ। খননকাজে বগুড়ার মহাস্থানগড় থেকে আসা দক্ষ শ্রমিকেরা অংশ নেন। মার্চ মাসজুড়ে খননকাজ চলবে। এই ব্যতিক্রমী, অনন্য ও বিরল ‘বৌদ্ধবিহার-মন্দির’ স্থাপনাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মানব বসতির বিস্তার ও পরিবর্তন এবং ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ। এরপর বর্ষার কারণে কয়েক মাস বন্ধ থাকবে খননকাজ।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022