1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

খালেদা জিয়ার সাথে হোম কোয়ারেন্টাইনে গৃহকর্মী ফাতেমা

  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০
  • ২৮৪ দেখেছেন

শাহ্ জালাল,ঢাকা থেকে।।
দীর্ঘ দুইবছরেরও বেশি সময় পর জামিন পেয়ে বাসায় ফিরেই হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলটির বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল এই তথ্য জানিয়েছে।
২০১৩ সাল থেকে যেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন সেখানেই তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম। প্রতিকূল-অনুকূল সব পরিস্থিতিতেই বেগম জিয়ার নিত্যসঙ্গী ফাতেমা। দলীয় কর্মসূচি কিংবা আদালত সব জায়গাতেই ছিলেন এই গৃহকর্মী। বেগম জিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় জেল জীবনকে নিজের সঙ্গী করেছিলেন ফাতেমা। গতকাল তিনিও মুক্ত হলেন খালেদা জিয়ার সঙ্গে। কিন্তু মুক্তি পেলে কি হবে? সঙ্গী হিসেবে আছেন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়ও। অবশ্য বেগম জিয়া তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারের গাড়িতে গেলেও গৃহকর্মী ফাতেমা যান অন্য গাড়িতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা বেগম জিয়ার সব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে তিনি অন্য গাড়িতে করে ফিরোজায় উঠেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। দিনটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের। তার কারাবন্দীর সঙ্গে গৃহপরিচারিকা ফাতেমাকেও যেতে হয় জেলে। কারাগার ও হাসপাতালে থেকে দীর্ঘ ৭৪ দিন সঙ্গ দিয়েছেন খালেদা জিয়াকে। জেলে যাওয়ার পরপরই ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে ব্যক্তিগত গৃহ পরিচারিকা হিসেবে ফাতেমা বেগমকে রাখার অনুমতি পান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এই নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই কারাগারে খালেদা জিয়ার একমাত্র সঙ্গী ফাতেমা। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও নানা আলোচনা হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ফাতেমাকে নিয়ে কথা বলেন।
জানা যায়, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মধ্যেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) একই কেবিনে থেকে ৭৫ বছর বয়সী নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে সহায়তা করেছেন। তাকে বাথরুমে ধরে নিয়ে যাওয়া থেকে মুখে তুলে ওষুধ খাওয়ার কাজ করেন এই ফাতেমা। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ডায়াবেটিকসহ নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া রোজা রাখছেন। তবে হাসপাতালের দেওয়া খাবার তিনি খেতেন না।
তার সঙ্গে থাকা গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম প্রতিদিন তার পছন্দের ইফতার তৈরি করে খাওয়াতেন।
ঢাকার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ২৫ মাস আগে দুর্নীতি মামলার রায় শুনতে আদালতে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেদিনও গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন খালেদার সেবিকা ফাতেমা। সেখান থেকে কারাগারে। সরকার গত মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসনকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। বিএনপি নেত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হয় ফিরোজা বাসভবনটি। খালেদা জিয়ার সঙ্গে ফাতেমাও আছেন ঐ বাসাতে হোম কোয়ারেন্টাইনে।
এছাড়াও মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বিশেষ এক সাক্ষাতে আরো বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের মুক্তিতে অনেক খুশি হয়েছি’। আমরা আল্লার কাছে দোয়া করি উনি যেন এখান থেকে উঠে দাঁড়াতে পারেন। আবার রাজনীতিতে আসতে পারেন। হোম কোয়ারেন্টাইনের সময়ে তার সঙ্গে যেন কেউ দেখা করতে না পারে- এসব বিষয়ে আমরা আলোচনাও করেছি ম্যাডামের সাথে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022