1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

যে কারণে বিভিন্ন সময়ে হজ্ব বাতিল হয়েছিলো

  • আপডেট: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ১২৩৪ দেখেছেন

ড. নাসরিন সুলতানা লাকি।।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ১২ বারে প্রায় ২৭ বছর হজ্ব বাতিল করা হয়েছিলো। সেটা কখনও যুদ্ধ বিগ্রহ, আবার কখনও মহামারির কারনে। হজ্ব বন্ধ থাকার পাশাপাশি শহীদ হয়েছেন কয়েক লাখ হাজী। ইতিহাস মোতাবেক এমন তথ্য পাওয়া গেছে। চলমান মহামারী করোনা পরিস্থিতির কারনে ২’শ ২২ বছর পর আবারো হজ্বের ইতিহাসে বন্ধের তালিকায় আরেকটি সন যুক্ত হতে চলেছে। ইতিমধ্যে সৌদি সরকারের হজ্ব কর্তৃপক্ষ সারা বিশ্বের হজ্ব এজেন্টদের বুকিং না দিতে নিষেধ করেছেন।

যে কারনে বিভিন্ন সময়ে হজ্ব বাতিল হয়েছিল:
বাতিল হয়েছিল ৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে, আব্বাসীয়দের সময়, ইসমাঈল বিন ইউসুফের মক্কা আক্রমণের কারণে।

৯৩০ সালে কট্টর শিয়া গ্রুপ কারমাতিদের আক্রমণে সে বছর ৩০,০০০ হাজি শহীদ হয়েছিল। তারা হাজীদেরকে হত্যা করে তাদের লাশ জমজম কুপে ফেলে দিয়েছিল। ফিরে যাওয়ার সময় তারা সাথে করে হাজরে আসওয়াদ বাহরাইনে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে হাজরে আসওয়াদ পুনরুদ্ধার হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এক দশক হজ্ব বন্ধ ছিল।

৯৮৩ থেকে ৯৯০ সাল পর্যন্ত হজ্ব বাতিল হয়েছিল রাজনীতির কারণে। ইরাক ও সিরিয়া ভিত্তিক আব্বাসীয় খিলাফত এবং মিসর ভিত্তিক ফাতেমীয় খিলাফতের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে সেবার ৮ বছর পর্যন্ত হজ্ব বন্ধ ছিল।

শুধু যুদ্ধ-বিগ্রহ না, মহামারীর কারণেও হজ্ব বাতিল হয়েছিল। প্রথমে ১৮১৪ সালে হেজাজ প্রদেশে প্লেগের কারণে ৮,০০০ মানুষ মারা যাওয়ায় হজ্ব বাতিল করা হয়।

১৮৩১ সালে ভারত থেকে যাওয়া হজ্বযাত্রীদের মাধ্যমে মক্কায় প্লেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং চারভাগের তিনভাগ হাজী মৃত্যুবরণ করে। ফলে সে বছর হজ্ব বাতিল করা হয়।

এছাড়াও ১৮৩৭ থেকে ১৮৫৮ সালের মধ্যে প্লেগ এবং কলেরার কারণে তিন বারে মোট ৭ বছর হজ্ব বন্ধ ছিল।

এবারও যদি হজ্ব বন্ধ হয়, সেটা হবে খুবই দুঃখজনক একটা ঘটনা। কিন্তু একই সাথে এটাও লক্ষ্যণীয়, অতীতেও হজ্ব বাতিল হয়েছিল।
ইসলাম অবাস্তব কোন ধর্ম নয়। এটা মানুষের জন্য আসা ধর্ম। এবং মানুষের সাধ্যের বাইরে এখানে কিছু করতে বলা হয়নি।

লেখক:
প্রফেসর
সার্জারি ও থেরিওজেনোলজি বিভাগ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

তথ্যসূত্র:
হারাম শরিফের ওয়েবসাইট,
মিডল ইস্ট আই, টিআরটি,
ও দ্য নিউ আরব।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022