1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

ভিক্ষুক দেশ ও জাতির জন্য লজ্জা

  • আপডেট: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৩১ দেখেছেন

মো. শামীম মিয়া।।
শিশুরা সর্বদাই সুন্দর, আজকের শিশুরা ভবিষ্যৎ জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি। এসব শিশুদের মধ্য কিছু শিশু রয়েছে তারা সত্যি হতভাগা। তাদের জন্ম যেন আজন্ম পাপ। এই শিশুগুলো সমাজের অনিয়ম, অবহেলা, বঞ্চনা, লাঞ্ছনা, ঘৃণা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার। এরা দারিদ্র্যতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে নষ্ট করছে নিজ এবং দেশের ভবিষ্যৎ। এরা বাবা-মা পরিবারহারা পথশিশু। পথশিশুদের এই পরিস্থিতির জন্য একক কোনো কারণ নেই, এর একাধিক কারণ রয়েছে। এই পথশিশুরা বেঁচে থাকার তাগিদে বিভিন্ন ঝঁকিপূর্ণ কাজ করতে বাধ্য হয়। এই শিশুগুলো এতোই হতভাগা যে সামান্য নিরাপত্তা, স্নেহ, ভালোবাসা দিয়ে মুড়িয়ে রাখার কেউ নেই তাদের পাশে। আমরা ওদের পাশে থাকতে না পারলেও ওদেরকে বিভিন্ন অপবাদ দিতে আবার ওদেরকে ঘৃণার চোখে দেখতে ভুলি না। তবে একবারো আমরা ভাবি না ঘৃণা নিয়ে কেউ জন্মগ্রহণ করে না। মানুষ, সমাজ তাকে ঘৃণার পাত্র বানায়। কেন আমরা সার্মথ্যবানরা বুঝি না পথশিশুরা নিষ্পাপ, তাদের মাঝে কোনো সাম্প্রদায়িকতার বোধ নেই। তাদের মাঝে কোনো রাজনীতির বোধ নেই। তারা হিন্দু_মুসলিমের মাঝে বিভেদ করতে জানে না। জানে না ওরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি। তাদের মাঝে একটি বোধই বিদ্যমান তাহলো নিষ্ঠুর জীবনে বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তি। ওদের জীবন উপভোগ করতে দেয়া আমাদের সবার কর্তব্য। আজকের পথশিশুরা তাদের সোনালি ভবিষ্যৎ বিলিয়ে দিচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে, অনেকে বেছে নিচ্ছে শিশু বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি। কেউ ইচ্ছা করে ভিক্ষা করে না, নিরুপায় হয়েই ভিক্ষা করে। আবার বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে জানা যায় এই অসহায়, এতিম, শিশুগুলোর ভিক্ষাবৃত্তিতে আসার করুণ কাহিনী যা জাতিকে কাঁদায়। নিষ্ঠুর মানুষরূপি মানুষগুলো এই পথশিশুদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভিক্ষা করাতে বাধ্য করছে, থাকা খাওয়ার দোহাই দিয়ে। একটি জরিপে দেখা যায়, আমাদের দেশে যা কর্মজীবী শিশু রয়েছে তার মধ্যে ৫৫ শতাংশ শিশু শহরে বাস করে। আবার এই ৫৫ শতাংশ শিশুর মধ্যে ৯ শতাংশ শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। জরিপ, পরিসংখ্যান যাই হোক, শিশুরা ভিক্ষা করবে- এটা আমাদের কারোর কাম্য নয়। তাছাড়া শিশুভিক্ষুক, দেশ ও জাতির জন্য লজ্জা। শিশুদের ভিক্ষুক বানানোর কারিগরদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিশু ভিক্ষাবৃত্তির স্থায়ী একটি সমাধান চাই। এজন্য দরকার সরকারি ও বিরোধীদল এবং সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। কেবল ইউনিসেফ, বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এককভাবে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। পেশাজীবী সুশিল সমাজ নীতি-নির্ধারক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকসহ সবার সম্মিলিত প্রয়াসই পারে শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি থেকে রক্ষা করতে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022