ঢাকামঙ্গলবার , ৫ মে ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মণিরামপুরের আলাল-জালাল বাহিনীর জুয়া ও মাদক ব্যবসা জমজমাট : দেখার কেউ নেই

Tito
মে ৫, ২০২০ ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধি।।
মণিরামপুরের পশ্চিমাঞ্চলের চিহ্নিত জুয়া ও মাদক কারবার নিয়ন্ত্রনকারী আলাল-জালাল বাহিনী করোনা মোকাবেলায় প্রশাসনের ব্যস্থতার সুযোগে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে জুয়া ও মাদকের জমজমাট কারবার। উপজেলার খেদাপাড়া এলাকার প্রায় হাফ ডজন স্পটে প্রতি নিয়ত নির্বিঘ্নে চলছে মাদক ও জুয়ার আসর।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খেদাপাড়া এলাকার খড়িঞ্চি গ্রামের আলাল ও জালাল দুই ভায়ের নিয়ন্ত্রণে চলতি করোনা মহামারির সুযোগে এলাকার কয়েকটি স্পটে জুয়া ও মাদকের আসরে নিয়মিত বহিরাগত জুয়াড়ী ও মাদক সেবীরা আড্ডা জমাচ্ছে। স্পট গুলোর দেখ ভাল করে থাকে তাদেরই আরেক সহদর হাফিজ। এসব আসরের জন্য এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে সৃষ্টি হয়ে আতংক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি।এলাকার একাধিক সূত্র জানায়, আলাল-জালালের ওই এলাকায় রয়েছে একটা শক্ত বাহিনী। কেউ তাদের এসব কর্মকান্ডের বিরোধীতা করলেই তার উপর নেমে আসে নানা অত্যাচারের খড়গ। ওই বাহিনী কৌশলে জিম্মি করে দাবি করে চাঁদা। না পেলেই নানা অযুহাতে মারপিট শুরু করে। যেখান সেখানে যাক তাকে মারপিট করা পুরো স্টাইলে পরিণত হয়ে গেছে আলাল-জালাল বাহিনীর। আর তাদের এসব কর্মকান্ডের মূল টার্গেট সমাজের নিরব সন্মানীত মানুষ, ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের পরিবার গুলো।সম্প্রতী বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারী করোনার ছোঁবলের কবলে বাংলাদেশেও তা মোকাবেলায় প্রশাসনের ব্যস্থতার সুযোগে প্রতিদিনই চলছে আলাল-জালালের মাদক ও জুয়ার আড্ডা। মণিরামপুরের এক জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় আলাল-জালাল বাহিনী দাপিয়ে বেড়ালেও মূলত খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার সহযোগীতায় শুরু করে তাদের এসব কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক কর্মকর্তার বদল হলেও সঠিক জায়গা ম্যানেজ করেই চলে তাদের জুয়া ও মাদকের কারবার। একের পর এক চাঁদাবাজি, জিম্মি ও বাড়ি হতে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারির মতো ঘটনা ঘটে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সুফল পায়না নির্যাতিতরা। বরং উল্টো সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধি এবং তাদের আশ্রয়দাতা এক অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা দ্বারা মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানী করা হয়। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেও সুফল মেলেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আলাল-জালাল বাহিনীর হাতে নির্যাতিতা ও মালেয়শিয়া প্রবাসী স্ত্রী। এমন নিরবে নির্যাতিত বহু পরিবার বিচার না পেয়ে নিয়মিত চাঁদা দিয়েই এলাকায় সম্মান বাঁচিয়ে চলছে বলে সূত্র জানায়।
পশ্চিমাঞ্চলের নিরাপদ মাদক জোন পরিচালনাকারী আলাল-জালাল বাহিনী ও বাহিনীর প্রধান মাদক কারবারী হাফিজের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে নিরবে নির্যাতন ও চাঁদবাজি বন্ধসহ জুয়া মাদকের ভয়াল ছোঁবল থেকে এলাকার উঠতি বয়সীদের রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।