ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মণিরামপুর পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি প্রার্থী শহীদ ইকবালের গণসংযোগ

Tito
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ ১২:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ শাহ্ জালাল।।
যশোরের মণিরামপুরে তফসিল ঘোষণার আগেই পুরোদমে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী তৎপরতা। পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরসভার প্রতিটি পাড়া মহল্লায় জমজমাট ভোটের আমেজে জমে উঠেছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি চলছে আলোচনা সমালোচনা।
মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দলীয় সমর্থন আদায়ে জোরালো তদবির শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রায় এক ডজন প্রার্থী। বিএনপির সম্ভাব্য একক প্রার্থী হিসাবে সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন প্রচার চালাচ্ছেন স্বাচ্ছন্দে। পৌর শহরের প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তার প্রচারণা। দ্বারে দ্বারে চলছে ভোট ভিক্ষা। এদিকে দলীয়ভাবে প্রার্থী দিতে চাই জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টি।
১৯৯৭ সালে গঠিত মনিরামপুর পৌরসভায় ২০০৪ সালে আ.লীগের দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম কে এবং ২০১১ সালের নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় বাঘা প্রার্থী মনিরামপুর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলুকে পরাজিত করে মেয়র পদে টানা দুই বারের জন্য বিজয়ী হয়েছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। সর্বশেষ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসানের কাছে ৮৪৩ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে পরাজিত হন। এ পৌরসভার আগামী নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন মোট ১৯,৩২১ জন ভোটার।
এদের মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৭০৮ জন ও মহিলা ৯ হাজার ৬১৩ জন।
সূত্র জানায়, আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ক্ষমতাসীন দল আ.লীগের দলীয় কোন্দলে মনোনয়নে অনিশ্চয়তার মুখে প্রার্থীরা। তবে কমিশনার প্রার্থী হিসাবে আ.লীগের তরুণ প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণায় নেমেছেন বেশ জোরেসোরে।
তবে ধারণা করা হচ্ছে এবার পৌর নির্বাচনে আ.লীগে দলীয় কোন্দল ও একাধিক প্রার্থীর মধ্যে প্রার্থী বাছাই নিয়ে বড্ড বিপাকে দলটি। এই সুযোগ এবং পৌর শহরে শহীদ ইকবালের ব্যক্তি ইমেজ ও অধিক জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগিয়ে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা দেখছে বিএনপি।
আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মাহমুদুল হাসান জানান, এই পৌরসভা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হওয়ার পরও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ২০০৪ ও ২০১১ সালের নির্বাচনের ফল হয়েছিল উল্টো। ২০১৫ সালের নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি নৌকা প্রতিক নিয়ে জয়লাভ করি। এবারও যদি দলের নীতি-নির্ধারকরা আমাকে প্রার্থী করেন, তাহলে আমি নির্বাচনে জয়লাভ করব ইনশাআল্লাহ।
অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য একক প্রার্থী হিসেবে সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ ইকবাল হোসেন দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে স্বাচ্ছন্দে ও উৎসবপূর্ণ আমেজে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
একান্ত সাক্ষাতকারে শহীদ ইকবাল বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত এবারের নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন পাব। আমি সবসময় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। তাই ভোটারা আমাকে দুইবার নির্বাচিত করেছেন। এবার পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আবারও আমি নির্বাচিত হবো বলে আশাবাদী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।