1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

মণিরামপুরে ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনেই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সন্দীপসহ ৩ জনকে জখমের অভিযোগ

  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২০৬৯ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি।।
মণিরামপুরে বিদ্যালয়ের গাছ নিলামকে কেন্দ্র করে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আওয়ামীলীগের তরুন নেতা ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সন্দীপ ঘোষসহ তিন জন মারাত্মক জখম হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের শাহাপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও আহতরা জানান, মশ্বিমনগর ইউনিয়নের শাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন গাছ নিলামে বিক্রির জন্য ঐ স্কুলে খোলা ডাক হচ্ছিল। এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগের একটি গ্রুপ সেখানে হাজির হয়ে উপস্থিত দরদাতাদের বেধড়ক পিটিয়ে সেখান থেকে বের করে দেয় এবং কয়েকজনকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। খবর পেয়ে মণিরামপুর উপজেলা পরষিদ চেয়ারম্যান নাজমা খানম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরীকে নিলাম স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন এবং তিনি নিজেই সঙ্গীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। এসময় তিনি সেখানে পৌছে মারাত্মত জখম অবস্থায় উপজেলা আওয়ামীলীগের তরুন নেতা ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সন্দীপ ঘোষ, মনিরুল ইসলাম নয়ন ও সবুজ করকে দেখতে পান। এসময় তিনি তাদেরকে দ্রুত হাসাপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। আহতদের প্রথমে মণিরামপুর সরকারী হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছেন, এসিল্যান্ডের সামনে এমন ঘটনার পরও তিনি ওই গাছ নিলামে ডাক বন্ধ না করে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষের লোকজনের অনুকুলে নামমাত্র ডাকে বরাদ্দ কার্যক্রম অব্যহত রাখেন। তিনি আরো বলেন, ইচ্ছা করলেই এসিল্যান্ড পরিস্থিতি শান্ত করতে পারতেন। তার সাথে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কোন পদক্ষেপ না নেওয়াটা দু:খজনক।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খরশেদ আলম বলেন, শুনেছি আমি আসার পর সেখানে গ্যাঞ্জাম হয়েছে। তখনতো আমার কিছু করার থাকতে পারেনা। তিনি আরোও বলেন, চেয়ারম্যান মহোদয় নিলাম বন্ধ করতে আমাকে ফোনে অনুরোধ করেছিলেন এবং পরে তিনি নিজেও সেখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু নিলাম বন্ধ করার মতো কোন অভিযোগ আমি পাইনি।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022