1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

প্রতিমন্ত্রীর হাত থেকে জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

  • আপডেট: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৫৭৮ দেখেছেন

বিশেষ প্রতিনিধি।।
মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেছেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য ও তার ভাগ্নে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর কারণে তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন না। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্বেও জনগনের জন্য সঠিক ভাবে কাজ করতে পারছেন না। তাদের ভয়ে তিনি সবসময় জীবনাশংকায় থাকেন। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌছিয়েছে যে, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হবেকিনা তা নিয়েও এখন তিনি সন্দিহান।
তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রী ও তার ভাগ্নের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করতে গিয়েই এখন তার ও তার পরিবারের সদস্যরা এখন জীবনাশংকায় ভুগছেন। এসময় তিনি প্রশাসন ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চান।
সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি জনগণের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করলে প্রথমেই তাতে বাঁধ সাধেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। তিনি সবকিছুই তার ভাগ্নে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু ও তার লোকজনের মাধ্যমে করাতে চান। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর এডিবি, টিআর, কাবিখার বরাদ্দ পেলে সবাইকে নিয়ে সুষ্ঠুভাবে বন্টন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাতে বাঁধ সাধেন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। তিনি হস্তক্ষেপ করে সিংহভাগ বরাদ্দ বন্টন করান তার ভাগ্নেকে দিয়ে।
আমি বুঝতে পারি প্রতিমন্ত্রী আমাকে পুতুল চেয়ারম্যান করে রেখে সবকিছু করাতে চান তার সন্ত্রাসী ভাগ্নে বাচ্চুকে দিয়ে। কিন্তু আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি, উন্নয়ন ও জনগণের কথা চিন্তা করে আমি তা মানিনি। তাদরে সকল অপকর্মের প্রতিবাদ করতে থাকি। তারপরও তিনি এডিবি, টিআর, কাবিখার সকল বরাদ্দ তার লোকজনের মাধ্যমেই বন্টন করেছেন।
পতিমন্ত্রীর ভাগ্নে বাচ্চুর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নাজমা খানম বলেন, সরকার যখন করেনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করতে থাকে, তখনও দুর্নীতি বন্ধ করেনি বাচ্চু। করোনাকালেই সে ত্রাণের চাল আত্মসাতের চেষ্টা করেন। যা পুলিশের তদন্তে প্রমানিত হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ওই মামলায় চার্জশিট দেয়া হয়েছে। আমি এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুরু থেকে প্রতিবাদ করতে থাকায় প্রতিমন্ত্রী আমাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টাও করেছেন। তার পোষ্য সন্ত্রাসীরা আমার উপর একাধিকবার হামলাও করেছে।
নাজমা খানম বলেন, গোটা মণিরামপুর শাসন করছে প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে সন্ত্রাসীদের প্রধান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু। তার পোষ্য সন্ত্রাসীরা সরকারি বিভিন্ন কাজ প্রভাব বিস্তার করে তা বাগিয়ে নিচ্ছে। তাদের লোকজনের বাইরে কেউ প্রকাশ্য নিলামেও অংশ গ্রহন করতে পারেনা। ছোট ছোট কোন কাজেও সাধারণ মানুষ অংশ নিতে পারছেন না। প্রতিমন্ত্রীর সন্ত্রাসী ভাগ্নের লালিতদের কারণে সরকারি পরিত্যক্ত বাড়ি ও গাছের উন্মুক্ত নিলামেও মণিরামপুরের সাধারণ মানুষ অংশ নিতে পারছে না। কেউ চেষ্টা করলেই তাকে মারধর করা হচ্ছে, অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে। বাচ্চু নেতৃত্বেই এসব করা হচ্ছে। আর এদের পিছনের ইন্ধনদাতা হচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য।
তিনি বলেন, সর্বশেষ মঙ্গলবার গাছ বিক্রির একটি উম্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে অংশ নেয়ার জন্য আওয়ামীলীগ নেতা সন্দীপ ঘোষ ও মনিরুল ইসলাম সেখানে গেলে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু ও প্রতিমন্ত্রীর পোষ্য বাহিনী তাদের কুপিয়ে জখম করে। এসময় নিলামে অংশগ্রহন করার জন্য যাওয়া ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা ৩ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেয়।
আমার দলের নেতা-কর্মী ও সাধারন ব্যবসায়ীরা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে আমি সেখানে যাই। তারা আমারও গায়ে হাত দেয়, নাজেহাল করে। কিন্তু আমি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্বেও পুলিশ আমাদের রক্ষায় এগিয়ে আসেনি। তারা নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেছে। পুলিশ কীভাবে এটা করতে পারে, তা নিশ্চয় আপনারা অনুধাবন করতে পারছেন।
নাজমা খানম বলেন, প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু এখন একটি মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী। তারপরো এখনো পর্যন্ত স্বপদে বহাল রয়েছেন তিনি। এমন ঘটনায় বরখাস্ত হয়নি, দেশে এমন কেউ কী আছেন ? আছেন একজন, তিনি উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু। কারণ তিনি প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে। শুধু কী তাই ! মামলার আসামী হয়েও তিনি পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেন সম্ভব হচ্ছে তা নিশ্চয় অপনারা বুঝতে পারছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সন্দীপ ঘোষ, মিকাইল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা প্রদীপ দাস, শহিদুল ইসলাম মিলন, কাজী টিটো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022