1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

মণিরামপুরে চিকিৎসা অবহেলায় বৃদ্ধার মৃত্যু! এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও হদিস মেলেনি চালকের

  • আপডেট: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪২৮ দেখেছেন

মণিরামপুর প্রতিনিধি।।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎকদের অবহেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজনে সদরে নেওয়া জন্য এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দীর্ঘক্ষণ খুঁজেও হদিস মেলেনি চালকের। হতভাগ্য বৃদ্ধা সুফিয়া বেগম (৬০) উপজেলা চাঁন্দুয়া গ্রামের আব্দুর রশীদ ওরফে খোকন মোড়লের স্ত্রী।
জানাযায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চাঁন্দুয়া গ্রামের আব্দুর রশীদ ওরফে খোকন মোড়লের স্ত্রী সুফিয়া বেগম মেয়ের বাড়ি পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে রওনা হন। পথিমধ্যে তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখে এক পথচারী তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এরপর মাথায় আঘাতসহ রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত রোগী হিসেবে তাকে জরুরী বিভাগ থেকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় মহিলা ওয়ার্ডে নিয়ে স্বজনদের অপেক্ষায় বিনা চিকিৎসায় দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যাক্তি জানান। ইতোমধ্যে বৃদ্ধার শরীর হতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
এক পর্যায়ে হাসপাতালের পাশ্ববর্তী মোহনপুর গ্রাম থেকে ওই বৃদ্ধার মেয়ে আনোয়ারা অন্য রোগী দেখতে হাসপাতালে আসেন। এ সময় তিনি জানতে পারেন মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়া এক বৃদ্ধাকে ফেলে রাখা হয়েছে। কৌতুলবশত: তিনি কাছে যেয়ে জানতে পারেন রক্তাক্ত বৃদ্ধা তা মা। তিনি তখন দ্রুত কর্তর্বরত চিকিৎসদের স্মরনাপন্ন হলে তারা জানান, রোগীকে যশোরে নিতে হবে। কিন্তু হাসপাতাল চত্বরে এ্যাম্বুলেন্স পড়ে থাকলেও দীর্ঘক্ষণ খোঁজ করে পাওয়া যায়নি এ্যাম্বুলেন্সের চালককে। একপর্যায়ে একটি ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারে করে যশোরে নেওয়ার পথে বের হওয়ার পরপরই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সুমন কুমার নাগ বলেন, পরিচয় বিহীন বৃদ্ধাকে হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে কী হয়েছে তা আমি জানিনা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, তিনি ঘটনার সময় হাসপাতালে না থাকলেও খবর নিয়ে জেনেছেন, ওই বৃদ্ধা রোগীর কন্ডিশন অনেক খারাপ ছিল।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022