1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

রাজগঞ্জ থেকে খেজুরের গুড় প্লাস্টিকের ড্রামভর্তি হয়ে চলে যাচ্ছে দেশ-বিদেশে

  • আপডেট: সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৬৩ দেখেছেন

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ থেকে।।
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’- এই যশ মূলত যশোরের রাজগঞ্জের খেজুরের গুড়ের কারণে। এই খেজুরের গুড় এখন প্লাস্টিকের ড্রামভর্তি হয়ে চলে যাচ্ছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতি বছর শীতের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা ছুটে আসে রাজগঞ্জ বাজারে গুড় কিনতে। তারা স্থানীয় বাজার ঘুরে গাছিদের কাছ থেকে শত শত ভাঁড় গুড় ক্রয় করেন। সেই গুড় ড্রামে ভর্তি করে নিয়ে যান নিজ এলাকায়। একই প্রক্রিয়ায় রাজগঞ্জ এলাকার গুড় যাচ্ছে বিদেশেও।
জানাগেছে, প্রতি সপ্তাহে দুইদিন সোমবার ও বৃহস্পতিবার রাজগঞ্জ বাজারে গুড়ের হাট বসে। এ হাটে গুড় বেচাকেনা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। পশ্চিম মনিরামপুরে একটিমাত্র গুড়ের হাট রাজগঞ্জ বাজার। এই হাটে রাজগঞ্জের গাছিরা তাদের তৈরি করা খেজুর গুড় বিক্রি করতে আসে। দামও ভালো পাই এই হাটে। এ বাজার থেকে গুড় কিনতে ব্যাপারীরা হাটবারের আগের দিন এসে এলাকায় অবস্থান নেয়। হাট বারের দিন সকাল সকাল হাজির হয় পাইকারি ব্যাপারীর দল। প্রতিটি তরল গুড়ের ভাঁড় ১৬শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা ও শুকনো গুড়ের বড় ভাঁড় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে রাজগঞ্জ বাজারে।
সোমবার রাজগঞ্জ হাটে সরেজমিনে দেখাগেছে, প্রতি ভাঁড় গুড়ের দাম ১৬শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ব্যাপারীরা গুড়ের ভাঁড় কিনে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রেখেছে। কেনাবেচা শেষে ব্যাপারীরা সব ভাঁড় থেকে গুড় ঢেলে ড্রাম ভর্তি করে গাড়ীতে করে নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এরপর এসব গুড় দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও পাঠানো হচ্ছে।
আফজাল হোসেন নামের একজন গুড়ের ব্যাপারী জানান, মাটির ভাঁড়ে গুড় বহন করা ঝুঁকি হওয়ায়, নিরাপদে বহনের জন্য প্লাস্টিকের ড্রাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রামে গুড় বহন করলে নিশ্চিন্তে পিকআপ কিংবা ট্রাক গাড়িতে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যেতে পারি।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022