1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল

রাজগঞ্জে এক অসহায় নারীর ধানের গাদায় আগুন

  • আপডেট: বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩৯ দেখেছেন

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ থেকে।।
মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে ছাগলে ধান খাওয়ার প্রতিবাদ করায় হাসিনা বেগম নামে এক স্বামী পরিত্যাক্তা অসহায় নারীর ধানের গাদায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল-২০২১) সন্ধ্যা রাতে উপজেলার রাজগঞ্জের ঝাঁপা ইউনিয়নের বনিকপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে।
আগুন দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন তা নিভিয়ে ফেলেন। খবর পেয়ে রাতে রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু ও ইউপি সদস্য তাজু হোসেন ঘটনাস্থলে গেছেন। স্বামী পরিত্যাক্তা হয়ে হাসিনা বেগম পিতা মৃত মুজহার আলী গাজীর ভিটায় থেকে অন্যের জমিতে কাজ করেন। হাসিনা বেগম বলেন, মাঠে কাজ করে খাই। কষ্ট করে ১০ কাঠা জমিতে ভাগে বোরো ধান লাগাইছি। সেই ধান উঠনে গাদা দিয়ে রাখা ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী মৃত শাহজাহানের স্ত্রী রহিমার একটি ছাগল গাদার ধান খাচ্ছিলো। প্রতিবাদ করায় আমার সাথে ঝগড়া করে। পরে আমি রাজগঞ্জ বাজারে চলে যাই। এই সুযোগে রহিমা ও তার মেয়ে খালেদা গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে গাদার ধান পুড়ে ছাই হয়েছে।
হাসিনা আর্তনাদ, ধান ঝেড়ে জমির মালিকের ভাগ দেওয়ার কথা ছিল। এখন মালিকের ধান দেব কি করে। আমি খাব কি!
স্থানীয় শরিফুল ইসলাম বলেন, ছাগলে ধান খাওয়ায় বকাবকি করাতে রহিমা বেগম, তার মেয়ে খালেদা এবং বড় ছেলের বউ ডলি মিলে ধান গাদায় আগুন দেয়। আগুন দেকে আমরা এসে নিভিয়ে ফেলি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। ডলি খাতুন বলেন, সন্ধ্যায় আমি বাড়ি ছিলাম না। কারা আগুন দেছে দেখিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজু হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। হাসিনা খুব কান্নাকাটি করছিলে। তারে সান্তনা দিয়ে এসেছি।
রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আজমল হোসেন বলেন, কে বা কারা ধান গাদায় আগুন দিয়েছে সেটা দেখেনি কেউ। আগুনে কিছুটা ধান পুড়েছে। বুধবার সকালে হাসিনা বেগম লিখিত আভিযোগ দিয়ে গেছে। এই ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022