1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল

রাজগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে পেঁপে : লাভবান হচ্ছেন চাষীরা

  • আপডেট: রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৫২ দেখেছেন

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ থেকে।।
মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের হরিহরনগ ইউনিয়নে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে পেঁপে। এতে করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। এ কারণে চাষিরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পেঁপে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজগঞ্জের হরিহরনগর ইউনিয়নের মদনপুর, সালামতপুর, শৈলী, এনায়েতপুর, খাটুরা, মধুপুর, কায়েমকোলা ও মুক্তারপুর এই ৮টি গ্রামে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হয় পেঁপে। পেঁপে চাষি হরিহরনগর ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের মোঃ নিছার আলী জানান- পেঁপে চাষ একটি লাভজন ফসল। এজন্য গ্রায় ১৫ বছর ধরে পেঁপে চাষ করি। এছাড়া এ গ্রামের অনেক চাষি পেঁপে চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। তিনি প্রতিবছর ৩ বিঘা জমিতে পেঁপে চাষ করেন। তিনি আরো জানান- প্রথম বার পেঁপের চারা লাগানোসহ বিভিন্ন ধরনের পরিচর্যায় প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ক্ষেত থেকে পেঁপে বিক্রি করতে শুরু করেছেন তিনি। বর্তমানে প্রতিমণ পেঁপে ৪০০/৫০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। প্রতি ২০/২৫ দিন পরপর ক্ষেতে পেঁপে বিক্রি যোগ্য হয়। তাতে করে প্রতিবার ২০/২৫ মন পেঁপে বিক্রি করা যায়।
তিনি জানান- একবার চারা লাগালে ক্ষেত থেকে প্রায় ৩ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী দুই বছর গাছের পরিচর্যায় খরচ খুবই কম লাগে। এছাড়া ঝড় বৃষ্টিতে গাছের ক্ষতি না হলে মোটামুটি লাভজনক ফসল ধরে নেওয়া যায়।
কৃষক মোঃ আব্দুল কাদের জানান- পেঁপে একটি লাভজনক ফসল। তিনি এ বছর ৫ বিঘা জমিতে পেঁপে গাছ লাগিয়েছেন। চলতি বছরে এ ক্ষেত থেকে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করতে পারবেন বলে ধারণা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষেত নষ্ট না হলে আগামীতে আরো বেশি লাভবান হবেন বলে আশা করছেন তিনি।
হরিহরনগর ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা প্রদীপ রায় জানান- হরিহরনগর ইউনিয়ন ব্যাপি এ বছর ১৬০ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষ হয়েছে।
কৃষি বিভাগ থেকে পেঁপে গাছের বিভিন্ন রোগের, যেমন-গাছের গোড়া পঁচা, পোঁকা বাহিত বিভিন্ন রোগ, ক্ষতিকারক ভাইরাস থেকে গাছকে মুক্ত রাখতে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়। এ ছাড়া পেঁপে গাছের খাদ্যের অভাব মেটাতে বিভিন্ন অনুখাদ্য প্রয়োগ করতে কৃষকদের পরামর্শ দে’য়া হয়ে থাকে। তাছাড়া পেঁপের পরাগায়নসহ ভালো ফলন পাওয়ার জন্য কৃষকদের প্রতিবিঘায় ২টি পুরুষ গাছ রাখার কথা বলা হয়ে থাকে।
রাজগঞ্জের হরিহরনগর ইউনিয়নের মাঠে মাঠে বিভিন্ন জাতের পেঁপে চাষ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে- বারি জাতের শাহিরাচি, কাশিমপুরি, হানিডিউ, পুশাজাজেন্ট। এসব জাতের পেঁপের চাষ করেছে এএলাকার চাষিরা।
পেঁপে কিনতে আসা ব্যাপারী মোঃ মোশাররফ হোসেন ও আক্তার হোসেন বলেন- আমরা চাষিদের ক্ষেত থেকে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা প্রতিমণ দরে পেঁপে কিনে থাকি। যা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার বাজারে বিক্রয়ের জন্য পাঠানো হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে জানাগেছে- পেঁপে চাষের সুবিধা হচ্ছে, জমিতে একবার চারা লাগালে ৩ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে প্রথম বছরের পর, পরবর্তী ২ বছর ক্ষেত পরিচর্যার খরচ খুবই কম লাগে। এতে কৃষকরা ব্যাপকভাবে লাভবান হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে, এবছরও চাষিরা পেঁপে চাষে ব্যাপকভাবে লাভবান হবে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022