1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

মনিরামপুরে জাল সার্টিফিকেটে বহাল তাবিয়তে চাকুরী করছেন এক শিক্ষিকা।

  • আপডেট: রবিবার, ৩ মে, ২০১৫
  • ২৯৪ দেখেছেন

যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলাধীন ১৭নং মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর দাখিল মাদ্রাসায় চলছে একের পর এক শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য। মনিরামপুরের দুই ইউনিয়ন ১৪নং দুর্বাডাঙ্গা ও ১৭নং মনোহরপুর ইউনিয়নের সংযোগ স্থলে অবস্থিত এই মাদ্রাসাটি। উক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে অভিভাবক সহ এলাকার সুধীমহলে খুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। মাননীয় এম,পি, মহোদয় ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়কে টাকা দিতে হবে এই মর্মে দূর্নীতিবাজ সভাপতি শফিউদ্দীন বিশ্বাস, পিতা- মৃত হাশেম আলী বিশ্বাস, গ্রাম+ডাক- মনোহরপুর, উপজেলা- মনিরামপুর, যশোর, সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) নিয়োগের জন্য প্রার্থীর নিকট হইতে ৩ লক্ষ টাকা, সহকারী r93মৌলভী পদের জন্য ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, সহকারী শিক্ষক (গণিত) নিয়োগের জন্য ৫১ হাজার টাকা সর্বমোট ৫ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়োছেন। অপর পক্ষে মাদ্রাসা সুপার মোঃ শহিদুল ইসলাম ও শিক্ষক প্রতিনিধি ক্বারী নজরুল ইসলাম সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) নিয়োগের নিমিত্তে একজন প্রার্থীর নিকট হইতে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করেছেন। তাছাড়া মোছাঃ নাজমুন্নাহার, পিতা- আব্দুল খালেক সরদার, রোল নং- ১২২১০৯৮৭, রেজি নং- ৮০০১০৬৫২/২০০৮ এর এনটিআরসিএ ২০০৮ এর সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে যার ইনডেক্স নং চঐঞ২০৩০১৫৮ বিগত ০৬/০৬/২০১০ সাল হতে অদ্যবধি শরীর চর্চা শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে সরকারী বেতন ভাতা ভোগ করছেন। বিশ্বস্থ সূত্রে জানাযায়, উক্ত শিক্ষিকা নিয়োগের সময় মাদ্রাসা সুপার বহু টাকা উৎকোচ গ্রহন করে তাকে নিয়োগ দেন। বর্তমানে তার নিবন্ধন সার্টিফিকেট জাল এলাকায় প্রচারিত হলেও তিনি বেতন ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন এবং মাদ্রাসা সুপার দম্ভ ভাবে বলছেন এভাবে জাল সার্টিফিকেটে সরকারী টাকা উত্তোলন করলে কিছুই হয়না। এই সব দূর্নীতি বিষয়ে এলাকাবাসী লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন সংসদ সদস্য, ডিজি, মাদ্রাবোর্ডের চেয়ারম্যান, দূর্নীতি দমন কমিশন, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে। এমনকি গত ইং ২০/১০/২০১৪ ইং তারিখে যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ নাছির উদ্দীন এই সব জালিয়াতীর বিষয়ে তদন্ত করার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন। কিন্তু আজও পর্যন্ত কোন তদন্ত কার্য্য সম্পন্ন হয়নি। এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রবিউল ইসলামে সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, অতিশীগ্রই তদন্ত কার্য সম্পন্ন হবে। এই সব দূর্নীতি তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকাবাসী ।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022