1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

কমিশন বেশী দিলেই চলে নিন্মমানের নিষিদ্ধ গাইড বই

  • আপডেট: রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৫
  • ৪২৬ দেখেছেন

নিষিদ্ধ গাইডবই নিয়ে কমিশন ব্যবসায় নেমেছেন মণিরামপুরের কয়েকটি শিক্ষক সংগঠন। প্রতিবছর এ সময়ে দেদারছে ব্যবসা করে চললেও আজ অবধি কোন মহল থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। ফলে অভিভাবক এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। শিক্ষক সমিতির বর্তমান নেতৃত্বে থাকা দায়িত্ব প্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানসহ কতিপয় ব্যাক্তি ১৪ লক্ষ টাকা কমিশনের বিনিময় পুথি নীলয় প্রকাশনার ব্যাকরণ এবং গাইড বই চালানো হয় সমিতির আওতাধীন ৪৩টি বিদ্যালয়ে। এ প্রকাশনার বই মানসম্মত না হওয়ায় অধিকাংশ বিদ্যালয় থেকে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়াও এ প্রকাশনা অগ্রিম দেওয়া ১৪ লক্ষ টাকা উঠাতে বইগুলোর গলাকাটা মুল্য করে সাধরণ অভিভাবকদের বিপাকে পড়তে হয। এ বছর ওই পুঁথি নীলয় প্রকাশনার বই গ্রহনে অস্বীকৃতি জানালেও সমিতির কর্ণধররা উঠে-পড়ে লেগেছে তাদের বই নিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এ সমিতির ৪৩টি বিদ্যালয়ে বই চালাতে জননী প্রকাশনা ১৪ লক্ষ টাকার অফার দিয়েছেন। তার পরেও এক্কেবারে বেকে বসেছেন কর্ণধররা। তারপরেও পুঁথি নীলয় এবার কত দিচ্ছেন সেটিও খোলাসা নয়। যার ফলে সমিতির মধ্যে চরম দ্বন্ধ ও বিরোধ চলছে। আর কর্ণধরদের মিশন প্রতিহত করতে সমিতির এক শ্রেণির সদস্যরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে-বিদ্যালয়ে ঘুরছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্ব প্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম পুঁথি নীলয় প্রকাশনার বই গ্রহনের কথা স্বীকার করলেও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে যান। সভাপতি বলেন, বই চালাতে কোন কমিশন গ্রহন করা হয়না। জানা যায়, এ উপজেলায় ১২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, এ বিদ্যালয় গুলোতে ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ২৯ হাজার ১২৩ জন। ১২০টি বিদ্যালয় থাকলেও সুবিধা আদাঁয়ের জন্য পৃথক-পৃথক ভাবে সমিতি নামে সংগঠনের ব্যানার রয়েছে ৬টি। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘রাজগঞ্জ আঞ্চলিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতি’ নামে একটি সংগঠন। এর বাইরে অন্য যে ৫টি সংগঠন রয়েছে। তবে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত কথিত এসব সংগঠনের নেতারা হাতে ব্যাগ ও গলায় টাই পরে বিভিন্ন প্রকাশকদের নিকট যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, এসব বাজার ধরতে জননী এবং পুথি নিলয় নামে দু’টি প্রকাশনার প্রতিনিধিরা প্রতিযোগী হিসেবে কথিত এসব নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেন। দাম-দরে পড়লে ওই সমিতির আওতাধীন বিদ্যালয় গুলোতে তাদের বই চালিয়ে দেওয়া হয়। হোক না সে বই যতই নিন্ম মানেরই। আর এসব কারণে অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে সাধারণ সহকারী শিক্ষকদের মতবিরোধ অব্যাহত রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক জানান, এসব কমিশন বাণিজ্য করতে ফাইভ স্টার গ্র“প নামধারী অনেক কথিত শিক্ষক নেতা এ সময়ে মাঠে দৌড়াচ্ছেন অধিক কমিশনের আশায়। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানান, যে প্রকাশনা বেশী কমিশন দিয়ে এদের তুষ্ট করতে পারেন তাদেরই বই কিনতে বাধ্য করা হয় অভিভাবকদের। ফলে চরম ক্ষতির শিকার হন সাধরণ অভিভাবকরা। সাধারণ শিক্ষকদের এসব সংগঠন কোন উপকারে না আসলেও রাতারাতি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে ওই সব কথিত নেতাদের। তবে বই চালানো নিয়ে নেতা এবং সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা চলছে রাজগঞ্জ আঞ্চলিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতিতে। ৪৩টি বিদ্যালয় নিয়ে এ সংগঠনটির আত্ম প্রকাশ ঘটে ১৯৯৪ সালে। বর্তমানে এ সংগঠনের সদস্য রয়েছে প্রায় ৬ শতাধিক। নিজেস্ব জমি ক্রয়ের মাধ্যমে সমিতির নামে নিজস্ব ভবন ছাড়াও গচ্ছিত অর্থের পরিমান দাঁড়িয়েছে প্রায় কোটি টাকায়। এ সংগঠনের সভাপতি-সম্পাদক থেকে মতিয়ার রহমান এবং খলিলুর রহমানের বিদায়ের পর তহবিল তছরুপ হচ্ছে এমন অভিযোগ কতিপয় সদস্যদের। বর্তমানে সমিতির সভাপিত কাম ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে রয়েছেন কোমলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম, সাধরণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ঝাঁপা শহীদ স্মরনী মাধ্যমিকের প্রধান শিক্ষক নির্মল। সমিতির একাধিক সদস্যের অভিযোগ সমিতির সভাপতি বনে যাওয়ার পরবর্তীতে আর কখনো নির্বাচন দেয়া হয়নি। বিভিন্ন প্রকাশনার কাছ থেকে কমিশন এবং প্রশ্নপত্র বিক্রিত টাকা নিয়ে নয়-ছয়ের অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। যার ফলে সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনছার আলী, মুক্তারপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা সরোয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অব্যবস্থাপনার কারণে হাতে গড়া সংগঠনটি অচিরেই বিভক্ত হতে যাচ্ছে।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022