1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল আয়েবাপিসি’র সাধারন সম্পাদক বকুল খানকে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সংবর্ধনা সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহন মণিরামপুর জুয়েলারী সমিতি পক্ষ থেকে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীকে সংবর্ধনা মণিরামপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী রতন পালের স্ব-পরিবারে ভারত পাড়ি! কিন্তু কেন ?

ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় জি‌পিএ-৫ প্রাপ্ত পিতা-মাতাহীন এতিম জুলিয়া

  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০১৬
  • ২৭২ দেখেছেন

8801716833434ম‌নিরুজ্জামান টি‌টো:
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের অধীন গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ থেকে অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে জুলিয়া খাতুন। উপজেলার ফেদাইপুর গ্রামের হতদরিদ্র পিতা-মাতাহীন এতিম পরিবারের সন্তান সে। ৫ম শ্রেনীতে পড়া কালীন মা হামিদা খাতুন এবং বছর দু’য়েক আগে পিতা তারা বিশ্বাসকে হারায় সে। শুরু হয় জীবন সংগ্রামের যুদ্ধ। দুঃখ কষ্টই যার নিত্যসঙ্গী। শত দুঃখ কষ্ট, বাধা-বিপত্তি লেখা-পড়া থেকে বিচ্যুতি করতে পারেনি তাকে, প্রবল ইচ্ছা শক্তি ও দৃঢ় মনোবলের কাছে হার মেনেছে দারিদ্রতা। ভাইয়ের টানাটানির সংসারে দুঃখ কষ্ট দেখে প্রতিবেশীর ছেলে-মেয়েদের টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ কিছুটা পুষিয়ে নেয় জুলিয়া। ভালো ফলাফলে সে আজ খুশি হলেও ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
রেজাল্টের খবর শুনে কেঁদে ফেলে আনন্দ অশ্র“ বিজড়িত কন্ঠে জুলিয়া জানায়,“আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আজ যদি মা-বাবা বেঁচে থাকতেন তাহলে তারা আরো বেশি খুশি হতেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ়, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষের মত মানুষ হতে চাই। ভাইদের টানাটানি সংসারে আমি আরেক বোঝা। ভবিষ্যতে আমি তাদের দুঃখ কষ্ট ঘুচাতে চায়। ভাই ওলিয়ার রহমান বলেন, পিতা-মাতাহীন সংসারে দুঃখ কষ্টের সাথে আমাদের দিনাতিপাত করতে হয়। জুলিয়ার পড়ালেখার খরচ, পোষাক আশাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র অন্যদের মত দিতে পারেনি। তবুও আজ সে ভাল ফলাফল করেছে এর জন্য আমিও সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। প্রতিবেশী অধ্যাপক এস.এম.এ মতিন বলেন,“জুলিয়ার ইচ্ছা শক্তির কাছে হার মেনেছে দারিদ্রতা। একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর যে সকল গুনাবলী থাকা দরকার, তার সবগুলোই আছে তার মধ্যে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক অপূর্ব কুমার বিশ্বাস বলেন, “কঠোর পরিশ্রম,অধ্যাবসায়, নিয়মানুবর্তিতা আর ইচ্ছা শক্তি দিয়ে যে সবকিছু অর্জন করা যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো জুলিয়া। তাকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও গাইড করতে পারলে সে দেশ ও জাতির সেবায় আত্ম-নিয়োগ করতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022