1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা মণিরামপুরে সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা বজলুর রহমানের ইন্তেকাল

ভয় : পর্ব-১

  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  • ৬১২ দেখেছেন

মোঃ মনিরুজ্জামান।।
সম্ভবত ২০০২ সালের আগস্ট/সেপ্টেম্বরের কথা। দিন তারিখ মনে নেই। আমরা তখন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে ৬ সপ্তাহের প্রশিক্ষনে। আমরা মানে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের অফিসাররা। বিধানটা এমনই ছিল বিসিএস পুলিশ অফিসারদের বিএমএ ওরিয়েন্টেশন বাধ্যতামূলক ছিল। বিএমএ ট্রেনিং বেশ স্টাফ এবং তখন আমরা সবাই প্রশিক্ষন শেষে যার যার কর্মস্থলে, প্রায় প্রত্যেকেরই নতুন জীবন, নতুন সংসার। কাজেই এহেন সুখের সময়ে অনেকেই এমন একটি বেরসিক ট্রেনিং এ যেতে চাইনি। যে যার মত চেষ্টা করে নাম কাটিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি আমার চাকুরী জীবনে কোন ট্রেনিংই কাটানোর চেষ্টা করিনি, এখানেও করলাম না। খুশী মনেই ট্রেনিং এ গিয়ে যোগ দিলাম। বিএমএ( বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী) ভাটিয়ারীতে সাগর তীরে, অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত সাগর পাড়ের বেলা ভূমিতে অবস্থিত। এর সৌন্দর্য্য প্রকৃতি প্রেমী যে কারোরই টানারই কথা। কাজেই এই কঠিন প্রশিক্ষনে মন বসে গেল আমার। ভাল লাগা শুরু হল বিএমএ।
ফ্যামিলি তখন ঢাকায়। সপ্তাহে ১ দিন ছুটি থাকে। ইচ্ছে করলে ছুটি নিয়ে আসা যায়। দূরত্ব এবং অন্যান্য কারনে সব সময় আসা যাওয়া হয়না। ছুটির দিনগুলোতে প্রায়ই এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করতাম। বেশীর ভাগ সময়েই সঙ্গী হত আমার দুতিন জন বোহেমিয়ান টাইপের ব্যাচমেট। তার একজন অকাল প্রয়াত পংকজ দা। পংকজ দার সাথে আমি সুযোগ পেলেই সাগর পাড়ে, কক্সবাজার, বান্দরবন, রাঙ্গামাটি ঘুরতে যেতাম। প্রকৃতি তাকে ভীষনভাবে টানতো, উনি সংগী হিসাবে আমাকেও পছন্দ করতেন হয়তো একই কারনে। যেদিনের যাত্রার কথা বলছি সে দিন আমাদের সাথী হয়েছিলেন আমাদের আরেক ব্যাচমেট জয়দেব ভদ্র, যিনি আমার রুমমেটও বটে। প্রকৃতি সেদিন একটু বৈরি ছিল। তাই সে যাত্রায় আমরা বেশী দূরে না যাওয়া মনস্থির করি এবং সিদ্ধান্ত নেই সীতাকুন্ড ইকোপার্কে যাব।
সময়টা ছিল বর্ষাকাল এটুকু মনে আছে। সকাল সকাল রওনা হয়ে সীতাকুন্ড পাহাড়ে পৌঁছলাম। এখানকার চন্দ্রনাথ পাহাড়ের আদি মন্দির যেকোন পর্যটকেরই অন্যতম দর্শনীয় স্থান।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য তো অবশ্যই তীর্থস্থান। পাহাড়ের উপর চমৎকার শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে মন্দিরটির অবস্থান। এখানকার দুপুরের নিরামিষ আহারে অংশ গ্রহণ করেন ধর্ম-বর্ণ, জাত-পাত নির্বিশেষে ইচ্ছুক যেকোন দর্শনার্থী। এ পর্ব ওখানে শেষ করে আমরা মনস্থ করলাম চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উঠব। পাহাড়ের উপর একটি মন্দির আছে।
সংগি দুজনের গন্তব্য সেই মন্দির আর আমার আগ্রহ অত উচুঁতে উঠে বর্ষার প্রকৃতি, বিশেষ করে পাহাড় চূড়া থেকে সাগর দেখা। মন্দিরে ওঠার জন্য প্রায় খাড়া পাহাড়ের গা বেয়ে সিঁড়ি, স্মৃতি বিভ্রাট না হলে ১৭০০+ ধাপ সিড়িঁতে। তখন বর্ষাকাল, পর্বতারোহন সাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে ঝুঁকির কারনেই।
আমরা পুলিশ একাডেমি সারদায় এক বছর টাফ ট্রেনিং পার করে এসেছি বেশী দিন হয়নি, তখন করছি মিলিটারি প্রশিক্ষন। কাজেই নিজেদের ফিটনেস এবং কনফিডেন্স তখন তুঙ্গে। কাজেই ১৬০০/১৭০০ ধাপ পেরিয়ে সিড়িঁ ভেঙে উঠতে পারবনা এটা আমাদের মাথাতেও আসেনি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বাঁধা উপেক্ষা করে আমরা পাহাড়ে উঠলাম। আমরা তিন জনই সমতলের মানুষ, সংগত কারনেই পাহাড় বা উচ্চতা ভীতি আছে, বয়স বা ট্রেনিং লেভেল যাই হোক না কেন।
মাঝামাঝি উঠার পরপরই বুঝলাম বোকামি হয়েছে, যেমন তেমন নয় চরম বোকামি হয়েছে। ফুট তিনেক চওড়া সিড়িঁ দিয়ে ওঠা নামার সবচেয়ে বড় বাঁধা হল শ্যাওলা জমা পিচ্ছিলতা। দীর্ঘ দিন জন মানুষের যাতায়াত না থাকায় যত উপরে যাচ্ছি ততই পিচ্ছিলতা বাড়ছে, নীচে খাড়া গিরিখাদ, কোন রকমে পা হড়কালেই ভবলীলা সাঙ্গ হবে। ধরার বা অবলম্বনেরও কিছু নাই। আমরা যে তিনজন এ পর্বতারোহন করেছিলাম তাদের কারোরই বন্ধু বা পরিচিত মহলে ভীরুতার অভিযোগ নেই, বরং কিছুটা হলেও বোহেমিয়ানিজম বা বেপরোয়া হিসাবে কম বেশী পরিচিতি ছিল।
একটু একটু ভয় পেলেও আমরা কেউ কাউকে বুঝতে দেইনি। কারন ভয়টা সংক্রামক। যাহোক সাহস সংগী করে টপে উঠলাম। পাহাড় চূড়ার অপরূপ সৌন্দর্য্য, দিগন্ত জোড়া সবুজ পাহাড়ী প্রকৃতি, অদূর বঙ্গোপসাগরের রূপালী দিগন্ত উদ্বেগ, ভয়, ভীতি আশংকা দূর করে দিল কিছু সময়ের জন্য। বুক ভরে নির্মল অক্সিজেন নিলাম। বেলাও পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে তখন,কাজেই নামতে হবে।
ভেবেছিলাম উঠার চেয়ে নামা সহজ হবে। এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম যে ওঠার চেয়ে নামা সহজ। হয়তোবা জীবনেরও নিয়ম। ওপরে ওঠা তা সে খ্যাতি, অর্থ, প্রতিষ্ঠা যেক্ষেত্রেই হহোকনা কেন কঠিন। সে তুলনায় নামাটা মুহুর্তের ব্যাপার।
যাহোক নামতে শুরু করলাম। কিন্তু কিছুক্ষন পরেই বুঝলাম অপরূপ স্নিগ্ধ এ প্রকৃতিতে ওঠা নামার প্রাকৃতিক থিওরী উল্টা হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ নামাটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। যখনকার কথা বলছি তখন খালি সিঁড়ির ধাপগুলোই ছিল, হাতল বা অন কোন অবলম্বন ছিল না। সিড়িঁর পাশ দিয়ে ৮/১০″ বর্ডার বলতে গেলে একমাত্র নিরাপত্তা।
যাহোক কিছু দূর নামার পর ভয়ের মাত্রা আরো বাড়ল। একজন দুজন করে নীচে তখন লোক জমতে শুরু করেছে। উদ্বিগ্ন চোখে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে, অপেক্ষা করছে। হয়তোবা পতন প্রত্যক্ষ করে নয়ন সুখ উপভোগের চূড়ান্ত মুহুর্তের জন্যও।
সে সময়ে আমরা তিনজনই নব বিবাহিত বলতে গেলে।এক তৃতীয়াংশ নামার পর আমরা একমত হলাম এখানে সাহস দেখাতে যাওয়া চরম বোকামি হবে। কাজেই হেঁটে হেঁটে নামার সিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে বসে বসে নামার চেষ্টা করলাম। দেখলাম তাতে সময় অনেক বেশী লাগলেও রিস্ক কম। কাজেই বসে পড়লাম। প্রথমে পা টিপে টিপে দুহাত দুদিকে প্রসারিত করে যৎসামান্য যতটুকু সাপোর্ট পাওয়া যায় নিলাম এবং একটা সিঁড়ি স্টেপ থেকে তদ পরবর্তী সিঁড়িতে বসে বসে নামতে শুরু করলাম।
সারদায় ও বিএমএ ট্রেনিং আমরা বিভিন্ন রকম চাল যেমন বিল্লি চাল, চিতা চাল, কচ্ছপ চাল,সরীসৃপ চাল সহ নানা রকম চাল শিখেছি, কখনোই নিতম্ব চাল শিখিনি। শরীরের যে অংশটিকে আমরা মূলত গালি দেবার জন্য ব্যবহার করি তা সেদিন খুব কাজে দিয়েছিল। যাহোক ঘেমে নেয়ে, লেংচিয়ে, লেংচিয়ে একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে আমরা অবশেষে দুই তৃতীয়াংশ নামতে পারলাম। শ্যাওলার পিছলামি তখন কমে এসছে, নীচে শতাধিক উৎসুক জনতা, অনিবার্য্য পতন দেখতে না পেয়ে বাধ হয় কিছুটা হতাশও। ধাতস্ত হয়ে নিতম্বচাল পরিহার করে পায়ের উপর ভর দিয়েই অনেকটা বীরের বেশে নামলাম। উৎসুক জনতার প্রশ্নবান এড়িয়ে কিছুই হয়নি বা যা হয়েছে তা উপভোগ করেছি এমন একটি ভাব দেখিয়ে উৎসুক জনতাকে পাশ কাটালাম।
নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে ডাব, আনারস, কলা, আমড়া যাযা পাওয়া যায় তার প্রায় সবই খেলাম। দুপুরের ভরপেট নিরামিষ আহার যে অত তৃপ্তি নিয়ে প্রচুর পরিমানে গলাধকরন করেছিলাম তা ভুলেই গেছিলাম।
এত বছরে হয়তো অনেক বদলেছে সীতাকুন্ডু পাহাড়, চন্দ্র নাথ মন্দির। সেদিনের সেই তিন তরুনের একজন ইহলোক ত্যাগ করেছেন ইতিমধ্যেই। আমরা যে দুজন আছি যতই একজন আরেক জনকে এভারগ্রীন বলিনা কেন আমরাও জানি মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়েছে, চুলে পাক ধরেছে, করোনার কল্যানে দাড়ি কাটতে মাঝে মাঝে দেরী হওয়ায় বুঝতে পারছি দাড়িতেও শুভ্রতা দেখা দিয়েছে। সার্ভিস, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের বন্ধুদের সাথে গ্রুপ কলে ইদানিং প্রায়ই কথা হয়, কাঁচা পাকা দাড়িওয়ালাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে বার বারই মনে হয় চেন্নাই এক্সপ্রেসের মত কোন ভুল ট্রেনে উঠে পড়েছি, সম্বিৎ ফিরে বুঝতে পারি আমার অবস্থাও এই আংকেলদের সারিতেই।
এ লেখা যদি কেউ পড়েন হয়তো ভাবতে পারেন সীতাকুন্ড পাহাড় থেকে নামতে গিয়েই তিনটা প্রশিক্ষিত ইয়াং ছেলের এত ভয়!!দিব্যি দিয়েই বলছি যে কয়েকটি ইভেন্টে আমার জীবন সংশয় হয়েছিল সীতাকুন্ড পাহাড় আরোহন বা সেখান থেকে নামা তার অন্যতম।
আরেকবার মৃত্যুভয় ফিল হয়েছিল বরগুনার পাথর ঘাটা চ্যানেলে ২০০৭ সালে। আমি তখন সিআইডি,বরিশাল বিভাগের টুআইসি।এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনা সুপারভাইজ ককরে ফিরছি।কাজ শেষে খোশমেজাজে পাথরঘাটা বাজার থেকে সস্তায় ইলিশ কিনে ঢাকার পথে।
পাথর ঘাটা চ্যানেল দেশী নৌকার পাড়ি দিতে হঠাৎ সাগর ঝড়ে পড়ে ছিলাম, নৌকা মিনিট খানেকের জন্য উল্টে সাগর শয্যায় চলে গিয়েছিল। সংগী ছিলেন সিআইডির দুজন কর্তা এং স্থানীয় ইউএনও যিনি আমাদের ব্যাচমেট ছিলেন। সেদিনও আমাদের সলিল সমাধি হতে পারতো। সে নৌকায় লাইফ ভেস্ট ছিলনা। পুরানো টায়ার ছিল। বাঁচতে যে টায়ারকেই অবলম্বন করেছিলাম। ভাগ্যগুনে নৌকার সাথে এমন ভাবে বেঁধে গিয়েছিল যে আমরা ৫ যাত্রী আমি, ইউএনও এবং দুজন মাঝির সবাই অক্ষত ছিলাম। আশ্চর্য্য বিষয় হচ্ছে মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই সাগর সম্পূর্ণ শান্ত। ব্যাপারটা এমন যে, এ পারের কেউ আমাদেরকে দেখে ভাবতে পারতো দুষ্ট কয়েকটা লোক হঠাৎ সাগরে ঝাঁপ দিয়েছিল সাঁতারের উদ্দেশ্যে ভাবখানা এমন। অথচ আমরা জানি তীব্র ¯স্রোতে নিমিষেই সলিল সমাধি হতে পারতো।
আরেকবার তীব্র মৃত্যুভয়ে পড়েছিলামজাতিসংঘ মিশন সুদানে কাজ করার সময় মরুভূমিতে ২০০৯ সালে।সেবারে মরুঝড়ের (স্হানীয় ভাষায় হাবুব) কবলে পড়ে।জাতিসংঘ বাহিনীর একটি টিম মরুর বুক চিরে স্টেশন হেডকোয়ার্টার্সে ফিরছিলাম, বহরে ৫/৭ টা গাড়ি।
হঠাৎ শুরু হল তীব্র হাবুব, অনেকটা আমাদের কালবৈশাখির মত। জাতিসংঘের লাল সাদা অতো ভারী দামী প্রাডো গাড়ীগুলোকে চোখের পলকে দেখলাম খেলনা গাড়ীর মত দুলছে, উড়ছে। আমরা ঝড়ে রাস্তাচ্যুত হয়েছিলাম। ভাগ্য ভাল ছিল। রাস্তার পাশের শুধু মাত্র ঐ শত খানেক গজ জুড়েই ছিল বিশাল বিশাল তাল জাতীয় এক প্রকার গাছের সারি। আমাদের গাড়ীগুলো থামানো ছিল। এটাই নিয়ম, চলন্ত গাড়ীতে ঝড় বেশী লাগে বা মরুধুলার কারনে যেহেতু কিছু দেখা যায়না নিয়ম হচ্ছে যতটা সম্ভব ফাঁকা জায়গায় গিয়ে সিট বেল্ট লাগিয়ে গাড়ীতে থাকতে হবে। UN সিকিউরিটিকে SAT ফোনে জানাতে হবে। যাকে বলে এক ধরনে SoS বার্তা। সেদিনও বিদেশ বিভুই এ আফ্রিকার এক মরুভূমির মধ্যে মৃত্যুভয় পেয়েছিলাম। সাম হাউ আমরা রাস্তাচ্যুত হয়ে তাল গাছের সাঁরিতে রাস্তার নীচে এসে আটকে গেলাম, বেঁচেও গেলাম বোধ হয়।
চলবে ….

লেখক:
অতিরিক্ত ডিআইজি
এন্টি টেরোরিজম ইউনিট
বাংলাদেশ পুলিশ


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022