ঢাকাসোমবার , ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মণিরামপুরে ভূয়া ওয়ারেশ সাজিয়ে অসহায় ৩ মহিলার জমি আত্মসাতের চেষ্টা জমি ফিরে পেতে আদালতে মামলা

admin
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৫ ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শেখপাড়া খানপুর গ্রামের ৩ অসহায় মহিলার দেড় বিঘা সম্পত্তি ভূয়া ওয়ারিশ সাজিয়ে আতœসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা আদালতে মামলা করার পর সংঘবদ্ধ একটি চক্র ওই তিন মহিলাসহ তাদের পরে লোকজনের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ। সে কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে সর্বত্র দাবী উঠেছে ভূয়া কাগজ-পত্র প্রদানকারীসহ জড়িত চক্রটির বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।
জানাযায়, উপজেলার শেখপাড়া খানপুর গ্রামের মহাতাব বিশ্বাস কয়েক বছর আগে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি দুই স্ত্রীসহ এক কন্যা রেখে যান। মৃত্যুর পর ওই গ্রামের মতাধর জনৈক মুজিবর উপজেলার রতেœশাহপুর গ্রামের শরীতুল্লাহ ওরফে ছোট্টকে দুঃসম্পর্কের আত্বীয় পরিচয় দিয়ে মৃত: মহাতাব বিশ্বাসের ভাইপো সাজিয়ে ভূয়া ওয়ারিশ কায়েম নিয়ে মূল্যবান দেড়বিঘা জমি দলিল করে নিয়ে কৌশলগত পন্থায় দখল করে । এ ঘটনা জানতে পেরে মৃত: মহাতাবের প্রকৃত ওয়ারিশ স্ত্রী ছবিরণ নেছা, রাজিয়া খাতুন ও কন্যা জাহানারা খাতুন তাদের পাওনা জমি রার্থে আদালতে মামলা করেন। ফলে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক গত ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান উক্ত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে মৃত: মহাতাব বিশ্বাসের প্রকৃত ওয়ারিশ হিসেবে দুই স্ত্রী এবং কন্যার নাম উল্লেখ করে ওয়ারিশ কায়েম সার্টিফিকেট প্রদান করেন। এ ঘটনায় সাজানো মহাতাবের ভাইপো হিসেবে ভুয়া ওয়ারিশ দাবিদার শরীতুল্লাহ ছোট্ট চেয়ারম্যানের প্রদান করা ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট সম্পর্কে আদালতে একটি আফিল পিটিশন দায়ের করেন। যার নং মিস আপীল-২৮/ঢওও/১৪-১৫। ফলে বিজ্ঞ আদালত পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ পুনরায় যাচাই-বাছাই করে ওয়ারেশ সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে গত ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর আরেকটি আদেশ দেন। এর প্রেেিত চেয়ারম্যান বিষয়টি তদন্তের জন্য ইউপি সদস্য নাহার বেগমকে দায়িত্ব দেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র মোটা অংকের লেনদেনের মাধ্যমে কথিত ভূয়া শরীতুল্লাহ ছোট্টকে মৃত: মহাতাবের ওয়ারিশ হিসেবে সার্টিফিকেট পাইয়ে দেবার জন্য জোর চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, চক্রটি ভূয়া ওয়ারিশ কায়েম সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য মেম্বর নাহার বেগমকে চাপ দিচ্ছে। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য নাহার বেগম জানান, তদন্ত করে দেখা গেছে শরীতুল্লাহ ছোট্ট আদৌ মহাতাবের ওয়ারিশ নহে। আমি বিষয়টি নিয়ে বেশ চাপে আছি। তাই তদন্ত রিপোর্ট দেয়া আমার পে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড.মুজিবর রহমান জানান, এর আগে ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান, মোজাম্মেল হক ও আব্দুল মান্নানের তদন্তের মাধ্যমে মৃত: মহাতাব বিশ্বাসের কন্যা জাহানারা খাতুন ও দুই স্ত্রী যথাক্রমে ছবিরণ নেছা ও রাজিয়া খাতুনকে ওয়ারিশ কায়েম সার্টিফিকেট দিয়েছি। এ ঘটনায় এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের কাছে জানতে চাইলে অনেকেই বলেন, যারা ভূয়া কাগজ-পত্রের মাধ্যমে জমি দখল নিতে চাই তাদের আইনের মাধ্যমে শাস্তি হওয়া উচিত।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।