1. admin@manirampurprotidin.com : admin :
  2. hnurul146@gmail.com : nurul :
  3. titonews24@gmail.com : Tito :
শিরোনাম :
অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল সাধারণ সভা অনুিষ্ঠত : অভিষেকের প্রস্তুতি হাইকোর্টের নির্দেশে কেশবপুরে অবৈধ “রোমান ব্রিকস” ভেঙ্গে দিল প্রশাসন মাদ্রিদে হবিগঞ্জবাসীর মিলন মেলায় মুখরিত লাভপিয়েছ মণিরামপুরের জুড়ানপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরে বাঁধা মালিতে জাতিসংঘ শান্তিপদক পেলেন বাংলাদেশের ১৩৯ জন শান্তিরক্ষী কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মণিরামপুরে সাংবাদিক পুত্র মাহির গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ মণিরামপুরে ইকবালকে কমিটি গঠন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ : রোহিতার আহ্বায়ক বহিষ্কার মণিরামপুরে ২দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে গ্রাম ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় স্কুল ছাত্রীর হাতে পঁচন ।। আদালতে মামলা

পাওনা ১৫ লাখ টাকা না দিতে খুন করা হয় স্বাস্থ্যকর্মী সাধনাকে’

  • আপডেট: শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৯০ দেখেছেন

মণিরামপুর (যশোর)প্রতিনিধি।।
পাওনা ১৫ লাখ টাকা না দিতে খুন করা হয় স্বাস্থ্যকর্মী সাধনাকে’মণিরামপুরে করোনা জয়ী স্বাস্থ্যকর্মী সাধনা রানী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাননি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পাওনা ১৫ লাখ টাকা না দেয়ার জন্য দু’সহকর্মীসহ তিনজন পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু করে প্রচার করে। আদালতে দায়ের করা মামলায় এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
সাধনা রানী দাসের মেয়ে সাথী পাল তার মাকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে গত ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা বসু বিষয়টি আমলে নিয়ে মণিরামপুর থানায় এ সংক্রান্ত কোনো মামলা হয়েছে কিনা সেই ব্যাপারে প্রতিবেদন জমা দিতে ওসিকে আদেশ দিয়েছেন।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, বাগেরহাটের শরণখোলার রাজাপুর গ্রামের মৃত কমলেশ চন্দ্র হালদারের স্ত্রী সাধনা রানী মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে চাকরি করতেন। সেই সূত্রে সহকর্মী ইসমাইল হোসেন ও জাহিদ ২০১৮ সালে ব্যবসার কথা বলে সাধনার কাছ থেকে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। ওই টাকা ইসমাইলের ভগ্নিপতি মিজানুর রহমানকে দেন। তিন মাসের মধ্যে ধারের টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও মিজানুর না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন।
পরে এসপি মিজান ধারের দু’ লাখ টাকা পরিশোধ করে বাকি টাকা দ্রুত পরিশোধ করবেন বলে অঙ্গীকারনামা করেন। কিন্তু, সেই টাকা না দেয়ার জন্য তারা সাধনাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২০ সালের ৬ জুন ধারের টাকা দেয়ার কথা বলে জাহিদ মোটরসাইকেলে করে সাধনা রানীকে নিয়ে যান। এরপর তারা তিনজন মণিরামপুর-কেশবপুর সড়কের যে কোনো জায়গায় সাধনার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে প্রচার করেন তারা।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, খুনিরা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাধনাকে যশোর কিংবা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে না নিয়ে মণিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে খুলনার গাজী মেডিকেলে ভর্তি করেন। মৃত্যুর পর তার পোস্টমর্টেমও করাতে দেন না তিনজন।
মামলার আসামিরা হলেন মণিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নি গ্রামের মৃত ছামাদ বিশ্বাসের ছেলে প্রতারক মিজানুর রহমান, বাঙ্গালীপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন ও চন্ডিপুর গ্রামের রজব আলীর ছেলে জাহিদ হোসেন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী সাথী পাল জানান, পাওনা টাকা না দেয়ার জন্য আসামিরা তার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে


এ খবর টি সোস্যাল মিডিয়াতে এ পোষ্ট করুন

এ জাতীয় আরও খবর




© All rights reserved © 2013-2022